Kotshila-Jhalda forest space is ready to obtain the ‘Conservation Reserve’ tag

Kotshila-Jhalda forest space is ready to obtain the ‘Conservation Reserve’ tag

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


রেসিডেন্ট হাতির মতোই হাজারিবাগ থেকে আসা হাতির দলের স্থায়ীভাবে বসবাস। চিতা বাঘের রীতিমত ঘর সংসার। সেই সঙ্গে বহুকাল থেকে শ্লথ বিয়ার বা ভল্লুকের ডেরা। ঘুরে বেড়াচ্ছে দুঃসাহসিক হানি ব্যাজার। এছাড়া পেঙ্গোলিন, চিতল হরিণ, কাঁকর হরিণ, সোনালী খেঁকশিয়াল তো রয়েইছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই বনদপ্তরের ক্যামেরা ট্র্যাপে বারবার ধরা পড়েছে এই বন্যপ্রাণ। আর এই ঘন জঙ্গলে এই বন্যপ্রাণদের পাহারাদার স্থানীয় বাসিন্দারা-ই। তাই পুরুলিয়ার কোটশিলা ও ঝালদা বনাঞ্চলের তিনটি বিটকে নিয়ে কোটশিলা কনজারভেশন রিজার্ভ-র তকমা দিতে সোমবার ডিটেলস প্রজেক্ট রিপোর্ট জমা পড়বে অরণ্যভবনে। সেই সঙ্গে এই পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প রিপোর্টের প্রতিলিপি জমা দেওয়া হবে পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থমের কাছে। জয়পুরের বিধায়ক বিশ্বজিৎ মাহাতোর সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা বলার পরেই পুরুলিয়া বনবিভাগ কোটশিলা কনজারভেশন রিজার্ভের জন্য প্রকল্প রিপোর্ট জমা করছে।

ট্র্যাপ ক্যামেরায় হানি ব্যাজারের ছবি।

আরও পড়ুন:

কোটশিলা ও ঝালদা ১ বনাঞ্চলের যথাক্রমে সিমনি, নোয়াহাতু ও কলমা বিট কে নিয়ে প্রায় সাড়ে ৪,৩৮৩ হেক্টর জুড়ে কোটশিলা কনজারভেশন রিজার্ভের জন্য ফাইল যাচ্ছে অরণ্য ভবনে। জয়পুরের বিধায়ক বিশ্বজিৎ মাহাতো বলেন, “ওই বিস্তীর্ণ এলাকার বনভূমি রীতিমতো সম্পদ। তাকে সংরক্ষণ করা ভীষণই প্রয়োজন। সেই কারণেই বনদপ্তর কোটশিলা কনজারভেশন রিজার্ভের জন্য রাজ্যের কাছে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে। আমাদের আশা ওই প্রস্তাবে খুব শীঘ্রই সবুজ সংকেত মিলবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

বনাঞ্চলে নিজের মেজাজে চিতাবাঘ।

এই এলাকার সঙ্গেও জুড়ে গিয়েছে নয়া টাইগার ল্যান্ডস্কেপ। পালামৌ ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আসা জিনাত সঙ্গী কিলা ঝালদা বনাঞ্চলের পাশে ঝাড়খন্ডে খাঁচা বন্দি হয়। কার্যত সেই সময় থেকেই কোটশিলা বনাঞ্চলকে কনজারভেশন রিজার্ভের জন্য দপ্তরে আলোচনা হয়। যদিও এই বিষয়ে প্রাথমিক কথাবার্তা চলছিল তার কয়েক মাস আগে থেকেই। কোটশিলা কনজারভেশন রিজার্ভ হলে পুরুলিয়ায় তা হবে দ্বিতীয়। এর আগে গড় পঞ্চকোট এই তকমা পায়। তবে কোটশিলা ও ঝালদা এক বনাঞ্চলে জঙ্গল ও বন্যপ্রাণ দুটির ক্ষেত্রেই আরও বেশি সমৃদ্ধ।

কী আছে ওই ডিটেলস প্রজেক্ট রিপোর্টে? 

  • এক, জঙ্গলের পরিকাঠামো উন্নয়ন। এই বিভাগে স্পেশাল ওয়াইল্ড লাইফ ম্যানেজমেন্ট অর্থাৎ বন্যপ্রাণদের সুরক্ষায় পর্যাপ্ত ক্যামেরা ট্রাপ এবং একাধিক ওয়াচ টাওয়ার। সেই সঙ্গে বন্যপ্রাণদের নিরাপদ ও সুন্দরভাবে স্থায়ীভাবে বাসস্থানের জন্য বিভিন্ন ঔষধি গাছ। অর্থাৎ যে গাছ তাদের রোগ জ্বালা থেকে নিরাময় করতে পারে। জঙ্গলের মধ্য দিয়ে তারা হাঁটাচলা করলে সেই গাছ গাছালির পাতা তাদের শরীরে স্পর্শ করে। তা থেকেই তারা ওই ঔষধি গাছের গুণাবলী পেয়ে থাকে এমন কথাই বলছেন বন কর্তারা। সেইসঙ্গে বিশেষভাবে তাদের নজরদারির জন্য থার্মাল ড্রোন, নাইট ভিসন ড্রোন ও কোটশিলা বনাঞ্চলে কন্ট্রোল রুম করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
  • সমুদয় পরিকাঠামো উন্নয়নে কমিউনিটি হল, রাস্তা, সোলার আলোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
  • জীবন জীবিকা পরিকাঠামো উন্নয়ন ও আয়ের সংস্থান বিভাগে স্থানীয় বাসিন্দারা যাতে কাজ পান তার সুনিশ্চিতকরন। অর্থাৎ এই মেগা প্রকল্পকে ঘিরে ইকো ট্যুরিজম, হোম স্টে, ঔষধি গাছের বাগান, পক্ষী নিরীক্ষণ গড়া। যার মধ্য দিয়ে এলাকার মানুষজনের আয়ের সংস্থান হবে।
  • যৌথ বন পরিচালন কমিটির নানাভাবে প্রশিক্ষণ। অর্থাৎ এই মেগা প্রকল্পকে সামনে রেখে লাক্ষা চাষ ও বনজকেন্দ্রিক চাষাবাদে জোর। সর্বোপরি তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে এই মেগা প্রকল্পকে নজরদারির মধ্য দিয়ে তরান্বিত করা।
পুরুলিয়ার কোটশিলা বনাঞ্চলের সিমনি-জাবর।

আসলে এই এলাকার বাসিন্দারা এই বন্যপ্রাণের রীতিমতো পাহারাদার। তাই পুরুলিয়া বনবিভাগ চাইছে, মেগা প্রকল্প থেকে যাতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও জীবনযাত্রার উন্নতি হয়। বন্যপ্রাণ মানুষ যাতে কোনভাবেই সংঘাত না ঘটে। এছাড়া প্রকল্প রিপোর্টে আলাদাভাবে রয়েছে, কোটশিলা কনজারভেশন রিজার্ভকে তুলে ধরার জন্য নানান প্রচারমূলক কর্মসূচি। হোর্ডিং, তোরণ প্রভৃতি। যা বাসস্ট্যান্ড, স্টেশনে তুলে ধরে প্রচার।

আরও পড়ুন:

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের
ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ‘ – এর পাতায়।

চোখ রাখুন

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *