Kolkata Police Residence Guard arrested

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


নো এন্ট্রি থাকা সত্ত্বেও শহরে বেআইনিভাবে ঢুকছে ট্রাক। সিন্ডিকেটের হাতে মাত্র আড়াই হাজার টাকা করে ঘুষ দিলেই নো এন্ট্রি থাকা সত্ত্বেও হাওড়া, কলকাতা ও রাজ্যের অন‌্যান‌্য শহরগুলিতে মালবাহী ট্রাক ঢুকে পড়ছে অত‌্যন্ত সহজেই! সেই বিষয়ে অভিযোগও হয়েছে একাধিক। ঘটনার তদন্তে নেমে সেই ঘুষকাণ্ডে এবার কলকাতা পুলিশের এক হোমগার্ডকে গ্রেপ্তার করা হল। তিনি উলটোডাঙা ট্রাফিক হোমগার্ডে কর্মরত বলে খবর।

কীভাবে শহরে বেআইনিভাবে ট্রাক ঢুকছে?  সেই সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্তে নেমে ঘুষের মাধ্যমে ট্রাক, লরি ছাড়ার ঘটনা সামনে আসে। সেই বিষয়েই ওই হোমগার্ডকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি তদন্ত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেননি। সে কারণেই তাঁকে তদন্তকারীরা গ্রেপ্তার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, এই কারবারের সঙ্গে একটি চক্র জড়িয়ে আছে। আর কারা এই ঘটনায় যুক্ত? সেই বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

সম্প্রতি রাজ‌্য পুলিশের দুর্নীতিদমন শাখার সামনে আসে এই কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতি। এর তদন্ত শুরু করে বৃহস্পতিবার হাওড়া থেকে দুর্নীতিদমন শাখা তথা এসিবি-র হাতে গ্রেপ্তার হয় সিন্ডিকেটের এক মাথা সঞ্জীব। তাকে জেরা করে এসিবি-র গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন যে, এই সিন্ডিকেটের মাথাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে কিছু সরকারি আধিকারিকেরও। মূলত সিন্ডিকেটের হয়ে সঞ্জীব ট্রাক চালকদের একটি বিশেষ কার্ড দিয়ে টাকা নিত। সেই কার্ড দেখালে নো এন্ট্রির সময়ও বেআইনিভাবে ট্রাকগুলিকে ছেড়ে দিত হাওড়া, কলকাতা ও বারুইপুরের কয়েকটি ট্রাফিক গার্ডের পুলিশ।

সঞ্জীব-সহ সিন্ডিকেটের মাথাদের হাত ধরে ওই ট্রাফিক গার্ডের পুলিশের কাছে পৌঁছে যেত মাসোহারা। সেই ‘ঘুঘুর বাসা’ই ভাঙছে এসিবি। এসিবির এক কর্তা জানিয়েছেন, ২০১৪ সাল থেকে ১২ বছর ধরে দক্ষিণবঙ্গে টানা চলছিল এই বিপুল টাকার দুর্নীতি। এবার ট্রাফিক গার্ডগুলির যে পুলিশ আধিকারিকরা এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের চিহ্নিতকরণ করা হচ্ছে। ওইসব ব্যক্তিদের তলব করে জেরাও করা হতে পারে। সেই সূত্র ধরেই এবার এই পুলিশকর্মী গ্রেপ্তার বলেই প্রাথমিক অনুমান। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *