পুজোর মুখে ফের অ্যাকশন মোডে কলকাতা পুরসভার ‘ফুড সেফটি’ বিভাগ। পুরসভার স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীনে থাকা এই বিভাগের আধিকারিকরা শুক্রবার নিউ মার্কেট, ধর্মতলা চত্বরে বেশ কিছু খাবারের দোকানে পর পর খাদ্যের গুণমান পরীক্ষা করেন। তাতেই বেশ কিছু দোকানে মিলল দু’তিন দিনের বাসিবাসি। তা ফেলে দেওয়া হয়। দোকান থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পুরসভার ফুড ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। পুরসভার তরফে খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “মহালয়া ও তারপরেও শহরের সমস্ত দোকান ও রেস্তরাঁয় লাগাতার এই অভিযান চলবে।”
আচমকা এমন অভিযানে ফুটপাতের দোকান থেকে রেস্তরাঁগুলির কর্মীদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছ়ড়িয়ে পড়ে। তবে দু’তিনদিনের বাসি ও নষ্ট খাবার মেলায় ওই কর্মীদের অধিকাংশই পরে মুখ লুকাতে বাধ্য হয়। একাধিক নামী রেস্তরাঁও তড়িঘড়ি চিকেন ও মাছের তৈরি বাসি খাবারও সরিয়ে নিতে বাধ্য হন। উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ও খাবারে ভেজাল রুখতে পুরসভার খাদ্য নিরাপত্তা আধিকারিকদের বিশেষ দল এই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।
আরও পড়ুন:
জানানো হয়েছে, রেস্তরাঁগুলিতে যেসব খাবার বা মাংসের প্যাকেটে তৈরি খাবার আছে সেগুলির উৎপাদন তারিখ বা কতদিন বিক্রি করা যাবে তার মেয়াদের উল্লেখ না থাকলেও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে তেলে রান্না খাবারে সিন্থেটির রং ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করতে এদিন পুরসভার অফিসাররা বিশেষ যন্ত্র সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। রেস্তরাঁ ও ফুটপাতের খাবারের স্টলগুলির বৈধ ফুড লাইসেন্সের মেয়াদ আছে কি না, এ দিন তাও পরীক্ষা করে দেখতে শুরু করেন ফুড সেফটি অফিসাররা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
