কিশনগঞ্জ: মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হল দুই মাস ধরে নিখোঁজ থাকা এক যুবকের দেহ। শুক্রবার দেহটি উদ্ধার হয় গোপালপুর গ্রামের কাছে পিপলা মুলাবাড়ির শালবাগানে। পুলিশের অনুমান জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই খুন হয়েছেন মহম্মদ মেহবুব আলম নামে এক যুবক। তাঁর বাড়ি কিশনগঞ্জের নেপাল সীমান্তের দীঘলব্যাংক থানা হলদাবন গ্রামে।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই খুন করা হয়েছে মেহবুব আলমকে। গত ২০ সেপ্টেম্বর মেহবুব আলম তাঁর ছোট শ্যালক ও তিন বন্ধুকে নিয়ে ডালখোলায় গিয়েছিলেন কোটি টাকা মূল্যের একটি জমি কিনতে। তারপর থেকে আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পরও মহম্মদ মেহবুব আলমের খোজ না পেয়ে গত ১৪ অক্টোবর দীঘলব্যাংক থানায় মিসিং ডায়েরি করেন তাঁর স্ত্রী জোসনারা খাতুন। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে একজনকে সন্দেহের ভিত্তিতে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দুজনের খোঁজ পায় পুলিশ। পুলিশ তিনজনকেই গ্রেপ্তার করে।
ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ শুরু করে টানা জিজ্ঞাসাবাদ। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতরা স্বীকার করেছে জমি সংক্রান্ত বিবাদের কারণে গোপালপুর গ্রামের কাছে মেহবুব আলমকে গলা টিপে ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করা হয়েছে। এরপর মৃতদেহ গ্রামের কাছের পিপলা মুলাবাড়ির শালবাগানে পুঁতে দেওয়া হয়। এরপরেই পুলিশ গ্রামে হানা দিয়ে মাটি খুঁড়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় কিশনগঞ্জ সদর হাসপাতালে।
