কিশনগঞ্জ: কিশনগঞ্জের নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন গলগলিয়া থানার ভাতগাঁও গ্রামে এক হাড়হিম করা ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে (Kishanganj Homicide)। এই ঘটনায় ঘাতক স্বামী মহম্মদ আলম পলাতক। ঘটনার পর থেকেই গোটা সীমান্ত এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে কিশনগঞ্জের সীমান্ত সংলগ্ন গুলশানভিটা গ্রামের জোহরা খাতুনের সঙ্গে ভাতগাঁও গ্রামের মহম্মদ আলমের বিয়ে হয়। তাঁদের চারটি সন্তান রয়েছে, যাদের মধ্যে তিনটি ছেলে ও একটি মেয়ে। সন্তানদের বয়স ৪ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রতিনিয়ত সাংসারিক কারণে বিবাদ লেগেই থাকত।
গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দা গণেশ রায় জানান, উভয়ের বিবাদ মেটানোর জন্য কয়েকবার স্থানীয় স্তরে সালিশি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। মঙ্গলবার ভোরে বিবাদ চরমে পৌঁছালে মহম্মদ আলম তাঁর স্ত্রী জোহরা খাতুনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন করে বলে অভিযোগ। ঘটনার ভয়াবহতা দেখে গ্রামবাসীরা রীতিমতো আতঙ্কিত।
গলগলিয়া থানার আইসি রাকেশ কুমার জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল ৭টা নাগাদ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কিষাণগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (২) মঙ্গলেশ সিং জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মহম্মদ আলম পলাতক। তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।
