Khawaja Asif | খাজা আসিফ ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’, পুরষ্কার বিতর্কে ইসলামবাদকে কটাক্ষ নয়াদিল্লির

Khawaja Asif | খাজা আসিফ ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’, পুরষ্কার বিতর্কে ইসলামবাদকে কটাক্ষ নয়াদিল্লির

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) সেশেলস সরকারের দেওয়া সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করে চরম ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ (Khawaja Asif)। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ‘Guardian of the Blue Horizon’ পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে ভিত্তিহীন বিতর্ক তৈরি করায় এবার কড়া ভাষায় ইসলামাবাদকে জবাব দিল নয়াদিল্লি। ভারতীয় সরকারি সূত্রের তরফে পাক মন্ত্রীকে ‘মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন’ এবং ‘কর্মহীন’ বলে তীব্র কটাক্ষ করা হয়েছে। সরকারি সূত্র মারফত জাতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান দাপট এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মান প্রাপ্তিতে পাকিস্তান যে চূড়ান্ত ‘ঈর্ষান্বিত’, তা তাদের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর কথাতেই স্পষ্ট। এক শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, ‘খাজা আসিফ যে মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, তা এখন সর্বজনবিদিত। এই ধরনের একজনকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া থেকেই আজকের পাকিস্তানের দৈন্যদশা স্পষ্ট হয়ে যায়।”

সরকারি সূত্রে আরও বলা হয়েছে, ‘স্পষ্টতই তাঁর কোনও কাজ নেই, তাই যে বিষয় সম্পর্কে তাঁর বিন্দুমাত্র ধারণা নেই, তা নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য করে সময় কাটান। ঘৃণাভাষণে অভ্যস্ত একজন মানুষের ক্ষেত্রে এমন ঈর্ষাকাতর আচরণই কাম্য।”

পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয় পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর একটি টুইট (বা মন্তব্য) ঘিরে। সেশেলস সরকার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সম্মান জানানোর পর একটি শংসাপত্রের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে কিছু বানান ভুল ছিল। সেই সূত্র ধরে আসিফ দাবি করেন, এটি একটি “engineered recognition” বা ‘পরিকল্পিত স্বীকৃতি’, যা মোদীর সফরের ঠিক আগেই তড়িঘড়ি করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনাকে ‘ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক ঘটনা’ বলেও আখ্যা দেন।

পাক মন্ত্রীর এই ঘৃণাপূর্ণ দাবির বেলুন অবশ্য বেশিক্ষণ টেকেনি। সেশেলস সরকারের তরফে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করে সমস্ত জল্পনা ও অভিযোগ নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এই সম্মানটি কোনওভাবেই জাল নয়। এটি সেশেলসের ‘ন্যাশনাল অনার্স অ্যাক্ট’-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত এবং মোদীর সফরের অনেক আগেই তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়েছিল।

মহাসাগর এবং ‘ব্লু ইকোনমি’-র টেকসই ব্যবহার (sustainable use) ও সুরক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্যই প্রধানমন্ত্রী মোদীকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে হসে সেশেলস সরকারের পক্ষে জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বানান ভুল যুক্ত শংসাপত্রটি আদতে একটি inside working draft বা অভ্যন্তরীণ কাজের খসড়া ছিল, যা চূড়ান্ত প্রুফরিডিংয়ের আগেই ভুলবশত শেয়ার হয়ে যায় বলে জানা গেছে। মূল investiture ceremony বা সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর হাতে যে চূড়ান্ত শংসাপত্রটি তুলে দেওয়া হয়েছিল, তাতে কোনও ভুল ছিল না।

ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিতর্কের কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও, সাউথ ব্লকের অন্দরমহল স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছে যে, ভারতের কূটনৈতিক সাফল্যে পাকিস্তানের এই ধরনের হতাশাগ্রস্ত মন্তব্যকে তারা বিশেষ আমল দিতে রাজি নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *