Kali Puja 2025 | শ্যামাপুজোয় থিমের চমক

Kali Puja 2025 | শ্যামাপুজোয় থিমের চমক

শিক্ষা
Spread the love


পারমিতা রায়, শিলিগুড়ি: দুর্গাপুজোর রেশ কাটতে না কাটতে শুরু হয়ে গিয়েছে শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি (Kali Puja 2025)। আর কয়েকদিন পরে আলো এবং শ্যামাসংগীতে মুখরিত হয়ে উঠবে শহর। শহরের বিগ বাজেটের কালীপুজো কমিটি থেকে শুরু করে পাড়ার কালীপুজো কমিটিগুলিও কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। শহরে এবছর কোথাও দেখা যাবে ৪০ ফুটের বামাকালী আবার কোথাও মুক্ত আবহ ফুটিয়ে তোলা হবে, আবার কোথাও কাল্পনিক মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। রাতভর ঘোরাফেরা, প্যান্ডেল হপিং, আড্ডা, খাওয়াদাওয়ার আনন্দে মেতে উঠতে চলেছে শহর।

তরুণ সংঘে কাল্পনিক মন্দির

শহরের পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম তরুণ সংঘের পুজো। প্রতিবছর নিত্যনতুন থিম শহরবাসীর নজর কাড়ে। তবে এবারের থিম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পুজো কমিটির সদস্য তাপন সাহা জানান, তাঁর হায়দরাবাদের এক বন্ধু গুড মর্নিং মেসেজের সঙ্গে নিজে একটি ছবি এঁকে একদিন সকালে পাঠিয়েছিলেন। বন্ধুর হাতে আঁকা সেই কাল্পনিক মন্দিরের ছবিটি দেখে পছন্দ হয়ে যাওয়ায় সেই আদলে মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে। মণ্ডপের চূড়ায় ৪০ ফুটের শিবের মূর্তি থাকবে। প্রতিমাতেও থাকবে বিশেষ চমক। মা দুর্গার রূপে মা কালীকে ফুটিয়ে তোলা হবে। তপন সাহার কথায়, ‘প্রতিবছর আমরা বিশেষ কিছু করার চেষ্টা করি। এবছর আমরা কাল্পনিক এক মন্দিরকে বাস্তবের রূপ দেব। এবছর আমাদের পুজোর বাজেট প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা।’

টিএসিতে শান্তিপুরের বামাকালী 

গত বছর টিএসি বা তরুণ ‌অ্যাথলেটিক ক্লাবের বোল্লাকালী দেখে তাক লেগে গিয়েছিল শহরবাসীর। ৬২তম বর্ষে তাদের বিশেষ নিবেদন শান্তিপুরের বামাকালী। এই পুজোয় ৪০ ফুটের কালী প্রতিমা দেখতে পাবেন শহরবাসী। শিলিগুড়ির সুভাষপল্লির এই পুজোয় এবছর শান্তিপুরের বামা মায়ের দর্শন করতে পারবেন শহরবাসী। পুজো উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ ভোগপ্রসাদ বিতরণ করা হবে। পুজো কমিটির তরফে সায়ন্ত ভৌমিক বলেন, ‘গত বছরের বোল্লা মায়ের প্রতিমা সাধারণ মানুষের এত ভালোবাসা কুড়িয়েছিল যে, এবছর তেমন কিছু করার পরিকল্পনা ছিল। এবছর আমরা বামা মাকে শিলিগুড়িতে নিয়ে আসছি। আশা করছি এবারেও আমাদের পুজো সকলের ভালো লাগবে।’

মহামায়া স্পোর্টিংয়ে বড়মা

একদিকে যখন বামা মা তৈরির প্রস্তুতি চলছে, আরেকদিকে বড়মার পুজো ঘিরে তোড়জোড় চলছে। মহামায়া স্পোর্টিং ক্লাব গত তিন বছর ধরে মণ্ডপে বড়মাকে ফুটিয়ে তোলে। দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা বড়মাকে দেখতে আসেন। নৈহাটির বড়মার পুজোর রীতিনীতি মেনেই এখানে চারদিন পুজো হয়। এই পুজোর সম্পাদক গোপাল কুণ্ডু বলেন, ‘এবার আমাদের পুজো ৪৬ বছরে পড়তে চলেছে। গত তিন বছরের মতো এবছরও বড়মার পুজো করব। বড়মাকে দেখতে শহরবাসী এই পুজোয় আসেন। আশা করছি এবছরও দর্শনার্থীরা ভিড় করবেন।’

উল্কা ক্লাবের পুজোয় মুক্ত আবহ

শহরের বিগ বাজেটের কালীপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম উল্কা ক্লাবের পুজো। এবছর তাদের পুজোর থিম ‘মুক্ত আবহ’। চারদিকে কংক্রিটের জঙ্গল, আবদ্ধ জীবনযাত্রা এই সবকিছুর মধ্যে দিয়ে আমরা প্রকৃতির সর্বনাশ করছি। তাই মণ্ডপে সবুজ, নির্মল, সুন্দর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে। এবার এই পুজো ৪৮ বছরে পড়তে চলেছে। এই পুজোর বাজেট প্রায় ২০ লক্ষ টাকা। নবদ্বীপের শিল্পীরা মণ্ডপ এবং প্রতিমা তৈরি করছেন। ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল দাস বলেন, ‘সবুজঘেরা, সুন্দর এক প্রকৃতিকে আমরা মণ্ডপে তুলে ধরব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *