নাগরাকাটাঃ নতুন বছরের শুরুতেই বিপত্তি। মঙ্গলবার বিকেলে মিনিট পনেরোর ঝড় ও সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে লন্ডভন্ড হল নাগরাকাটার সুলকাপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের কয়েকটি এলাকা। সব মিলিয়ে অন্তত ২৫ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। উপড়ে পড়েছে বেশ কিছু গাছ। ছিঁড়ে যায় বিদ্যুতের তার। বিদ্যুতের খুঁটি ভাঙার খবরও মিলেছে। বিপর্যয়ের শিকার মূলত নাগরাকাটা বস্তি, সুখানী বস্তির চারোয়া লাইন ও রাজকুমার লাইনের মত এলাকাগুলি।
এদিনের ঝড়ে নাগরাকাটার চাদর লাইনের একটি সরকারি ছাত্রাবাসের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে। খবর পেয়ে নাগরাকাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সঞ্জয় কুজুর এলাকা পরিদর্শনে যান। বিদ্যুত দপ্তরও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। নাগরাকাটার বিডিও পঙ্কজ কোণার বলেন, ‘ছাত্রাবাসের ওপর ভেঙে পড়া গাছটিকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য বন দপ্তরকে বলা হয়েছে।’
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সঞ্জয় কুজুর বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণের ব্যবস্থা করা হবে। নাগরাকাটা বস্তির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সুধামা ওরাওঁ বলেন, বেশ কিছু বাড়ির চাল উড়ে গিয়েছে। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।’
নাগরাকাটা বস্তির পঞ্চায়েত সদস্য সুদামা ওরাও বলেন, ‘আচমকাই মাত্র দশ মিনিটের ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। আর তাতেই ২২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
এদিন সকালের আবহাওয়া যথেষ্ট ভাল ছিল। তবে দুপুরের পর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। কালো মেঘে ছেয়ে যায় আকাশ। ছিল বজ্রপাতও। নাগরাকাটা বস্তির রমেশ মুন্ডা, অমিত ওরাওঁ এর মত কয়েকজন বলেন, ‘ঘরের চাল উড়ে যাওয়ার পর কোথায় থাকব বুঝতে পারছি না। প্রশাসনিক সহযোগিতা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো মুশকিল।’
