J&K Blast | ‘বাবা, যেও না’, মেয়ের অনুরোধ না শুনেই গিয়েছিলেন নওগাম থানায়, তারপরই মর্মান্তিক পরিণতি দর্জির

J&K Blast | ‘বাবা, যেও না’, মেয়ের অনুরোধ না শুনেই গিয়েছিলেন নওগাম থানায়, তারপরই মর্মান্তিক পরিণতি দর্জির

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরের নওগাম থানায় (Nowgam police station) ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের (J&K Blast)। আর এই ন’জনের মধ্যে ছিলেন ৫৭ বছর বয়সি এক দর্জিও। সম্প্রতি হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। আর তা থেকে পুলিশ এবং ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্রহ করার সময় এই বিস্ফোরণটি ঘটে।

জানা গিয়েছে, ওই বাজেয়াপ্ত বিস্ফোরক ছোট ছোট ব্যাগে ভরার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আর সেই ব্যাগ সেলাই করার জন্য ডাকা হয়েছিল মহম্মদ শফি নামের ওই দর্জিকে। সকাল থেকে থানাতেই সেই কাজ করছিলেন তিনি। মাঝখানে একবার নমাজ পড়তে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এরপর রাত ৯টার দিকে তিনি খাওয়ার জন্য বাড়িতে যান। কিন্তু তাঁর পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, ঠান্ডার কারণে শফির মেয়ে বারবার তাঁকে থানায় যেতে বাধা দিচ্ছিল। বলেছিল, ‘বাবা, যেও না।’ কিন্তু সে কথা শোনেননি শফি। তিনি জানান, কাজ শেষ করার জন্য তাঁকে থানায় ফিরে যেতে হবে। ‘আমি কাজ শেষ করে ফিরে আসব’, এটাই ছিল তাঁর শেষ কথা। তখনও তাঁর পরিবার জানত না যে, তাঁরা আর কখনও শফিকে দেখতে পাবেন না।

শফির এক আত্মীয় বলেন, ‘রাতে আমরা একটা বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাই। এরপর ছুটে যাই থানায়। দেখি যে জায়গাটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। চারদিকে ছিন্নভিন্ন দেহগুলি পড়ে থাকতে দেখি।’ কয়েক ঘণ্টা ধরে খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে হাসপাতালের এক কোণে শফির দেহ খুঁজে পায় পরিবার।

শফির তিন সন্তান রয়েছে। পরিবারে শফিই একমাত্র উপার্জন করতেন। এই অবস্থায় কীভাবে তাঁদের সংসার চলবে সেটাই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, বিস্ফোরণে পর জনবসতি এলাকা থেকে থানাটি স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। যাতে পরবর্তীতে এই মর্মান্তিক পরিণতি কাউকে ভোগ করতে না হয়। জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ঘোষণা করেছেন, এই বিস্ফোরণে নিহত প্রতিটি ব্যক্তির পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং গুরুতর আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *