উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের (BDO Prashanta Burman) বিরুদ্ধে খুন ও অপহরণের অভিযোগে ফুঁসে উঠলেন কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (KLO) চিফ জীবন সিংহ। গোপন ডেরা থেকে এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সুর চড়ালেন কেএলও চিফ। (যদিও সেই ভিডিও সত্যতা যাচাই করেনি উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন)।
জীবন সিংহ বলেন, ‘রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে টার্গেট করেছে পুলিশ। নোংরা রাজনীতির মাধ্যমে রাজবংশীদের যখন দমন করতে পারেনা, তখন বাঙালি পুলিশ দিয়ে দমন করার চেষ্টা করে। আমরা রাজবংশীরা আর কতদিন সহ্য করব বাঙালি পুলিশ এবং রাজনৈতিক নেতাদের অত্যাচার? তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার রাজবংশী ও কামতাপুরী জনগণের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের রাজবংশী জনগণ ক্রমাগত বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। এ অবিচারের অবসান ঘটাতে হবে।’
এরই পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ (TMC MP-MLAs) ও বিধায়কদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকারের হয়ে রাজবংশী মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করা বন্ধ করুন। দলত্যাগ করুন। তৃণমূল কংগ্রেস একটি রাজবংশী বিরোধী দল। আমাদের জায়গা থেকে এদের উৎখাত করতে হবে।’
উল্লেখ্য, রাজবংশী ভোটব্যাংক বাংলার ক্ষমতা দখলের একটা ফ্যাক্টর। একথা তৃণমূল বিজেপি উভয় দলই জানে। সে কারণের কি রাজগঞ্জের বিডিও-র বিরুদ্ধে খুন ও অপহরণের একাধিক প্রমাণ থাকলেও তাকে ছুঁতে পারছে না পুলিশ? আবার সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee) উত্তরবঙ্গ সফরে এসেও প্রশান্ত বর্মনকে নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন। যাতে রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিরূপ প্রতিক্রিয়া না পড়ে। তবে জীবন সিংহের বার্তা তৃণমূলের মাথা ব্যথা বাড়াল বলেই মনেই করছে উত্তরের রাজনৈতিক মহল।
