Jammu and Kashmir | মধ্যরাতে স্যাটেলাইট ফোনের সংকেত, ৫০ মিনিটে ৪ পাক ড্রোন: কাশ্মীর সীমান্তে বড় নাশকতার ছক?

Jammu and Kashmir | মধ্যরাতে স্যাটেলাইট ফোনের সংকেত, ৫০ মিনিটে ৪ পাক ড্রোন: কাশ্মীর সীমান্তে বড় নাশকতার ছক?

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) আকাশ ও সীমান্ত জুড়ে ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। একদিকে গভীর রাতে স্যাটেলাইট ফোনে (Satellite tv for pc Telephone Sign) রহস্যময় সংকেত, অন্যদিকে মাত্র ৫০ মিনিটের ব্যবধানে ভারতীয় আকাশসীমায় চারটি পাকিস্তানি ড্রোনের (Pakistan Drone) অনুপ্রবেশ- সব মিলিয়ে এক বড়সড়ো নাশকতার আশঙ্কায় কাঁপছে উপত্যকা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনা, বিএসএফ (BSF), জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং এসওজি (SOG) যৌথভাবে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে।

৫০ মিনিটে ৪ ড্রোন: আকাশপথে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিট থেকে ৭টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন সেক্টরে একে একে চারটি সন্দেহভাজন ড্রোন দেখা যায়। গোয়েন্দাদের মতে, এটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিত একটি ঘটনা।

• প্রথম ড্রোন: সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে পুঞ্চের মানকোট সেক্টরে প্রথম ড্রোনটি দেখা যায়। পাকিস্তানের দিক থেকে ড্রোনটি উড়ে এসেছিল।

• দ্বিতীয় ড্রোন: সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে রাজৌরির খাব্বার গ্রামে ড্রোন সদৃশ উড়ন্ত বস্তু দেখা যায়। একই সময়ে কালাকোট থেকে উধমপুরের ভারাখের আকাশে একটি রহস্যময় আলো জ্বলতে ও নিভতে দেখা যায়, যা পরে অদৃশ্য হয়ে যায়।

• তৃতীয় ড্রোন: ঠিক একই সময়ে (৬টা ৩৫ মিনিট) রাজৌরির নৌসেরা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আরও একটি ড্রোন দেখতে পান জওয়ানরা। তৎক্ষণাৎ মেশিনগান দিয়ে সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হলেও সেটি শেষ পর্যন্ত ফিরে যেতে সক্ষম হয়।

• চতুর্থ ড্রোন: সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে সাম্বার রামগড় সেক্টরের চক বাব্রাল গ্রামে ড্রোন উড়তে দেখেন স্থানীয়রা।
গভীর রাতের স্যাটেলাইট সংকেত ও আতঙ্ক ড্রোনের এই দাপাদাপির ঠিক আগের রাতে অর্থাৎ শনিবার রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ জম্মু থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে কানাচক থানা এলাকায় একটি স্যাটেলাইট ফোনের সংকেত শনাক্ত করেন গোয়েন্দারা। আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে মাত্র ২ কিলোমিটার ভেতরে এই সংকেত মেলায় নিরাপত্তা আধিকারিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। সাধারণত জঙ্গি অনুপ্রবেশকারী বা বড় কোনো নাশকতার ছক কষলে এই ধরণের এনক্রিপ্টেড সংকেত ব্যবহার করা হয়।

যৌথ বাহিনীর তৎপরতা ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র বা মাদক পাচার, নাকি কোনো বড় হামলার লক্ষ্যে রেকি করা হচ্ছিল— তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। স্যাটেলাইট সংকেত পাওয়ার পরই সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলো ঘিরে ফেলা হয়েছে। জওয়ানরা (Indian Military) ড্রোনগুলোর গতিবিধি বিশ্লেষণ করছেন এবং সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *