জামালদহ: পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পর থেকেই নাকি ফোনে আসছিল একের পর এক মেসেজ! আর সেই আবহেই নিজের ঘর থেকে উদ্ধার হল ১৫ বছরের কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ। বৃহস্পতিবার বিকেলে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ব্লকের জামালদহ এলাকায় এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, এক বখাটে যুবকের ক্রমাগত উত্যক্ত করার জেরে মানসিক অবসাদে চরম পথ বেছে নিয়েছে তাঁদের মেয়ে।
পরীক্ষার মাঝেই অঘটন
মৃত ছাত্রীর নাম ভূমিকা বর্মন (১৫)। সে স্থানীয় জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিল। বৃহস্পতিবার নিজের ঘরেই তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি তাঁকে জামালদহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নেপথ্যে কি ‘সাইবার’ হয়রানি?
ভূমিকার পরিবারের অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরেই এক স্থানীয় যুবক মেয়েটিকে উত্যক্ত করছিল। পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পর থেকেই ওই যুবকের নম্বর থেকে ক্রমাগত ফোন এবং মেসেজ আসতে থাকে। পরিবারের দাবি, এই ঘটনাই মেয়েকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল। অভিযোগের তির ওই যুবকের দিকেই।
পুলিশি তদন্ত শুরু
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মেখলিগঞ্জ থানার পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরীক্ষার মরসুমে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে জামালদহ হাই স্কুল পাড়ায়।
