Jalpaiguri | এক টাকার কয়েন অচল? খুচরো নিয়ে বচসা দোকানি-ক্রেতাদের

Jalpaiguri | এক টাকার কয়েন অচল? খুচরো নিয়ে বচসা দোকানি-ক্রেতাদের

শিক্ষা
Spread the love


অনসূয়া চৌধুরী, জলপাইগুড়ি: স্কুল ছুটির পর ছেলের জেদে ক্লাব রোডে একটি দোকানে চকোলেট কিনতে এসে দোকানির সঙ্গে বচসায় জড়ালেন ধ্রুবজ্যোতি বসাক। একটু কান পাততেই বোঝা গেল খুচরো নিয়ে সমস্যা। আর একটু এগোতেই জানা গেল খুচরো নয়, তার থেকেও বড় সমস্যা৷ তা হল ছোট ১ টাকার কয়েন নিয়ে। ৫ টাকা দিয়ে চকোলেট কেনার পর খুচরো দিয়েছেন। যাতে একটি ছোট ১ টাকার কয়েনও ছিল। তাতেই বাধে বচসা। ধ্রুবজ্যোতির কথায়, ‘চকোলেট কিনে প্রথমে ১০ টাকা দিলে দোকানি বলেন খুচরো নেই। অনলাইন করতে চাইলে তিনি নাকচ করেন। এরপর খুচরো দুটো ২ টাকার কয়েন ও একটি ছোট ১ টাকার কয়েন দিতেই তিনি ১ টাকার ওই কয়েন নিতে অস্বীকার করেন। আমার প্রশ্ন একটাই, তাহলে কি ওই ১ টাকাগুলো অচল? তাহলে কেন দোকানদার নেন না। পরে চকোলেট কেনাই হল না। জেলা প্রশাসনের বিষয়টি দেখা উচিত।’

জলপাইগুড়ি শহরে (Jalpaiguri) হামেশাই এনিয়ে বচসা বাধছে৷ একদিক ৫-১০ টাকার অনলাইন পেমেন্ট করলে অনেক দোকানি নিতে চাইছেন না জিএসটির জন্য। আবার খুচরোর মধ্যে একটা ছোট ১ টাকার কয়েন থাকলেই সমস্যা৷ যদিও জেলা শাসক শামা পারভিন বলেন, ‘ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরকে বিষয়টি দেখার জন্য বলা হবে।’

ছোট ১ টাকার কয়েন নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের আলাদা যুক্তি রয়েছে। সমস্যা যদিও মাঝে একটু থিতিয়ে ছিল। কেননা ব্যবসায়ীরা পাঁচ-দশ টাকা অনলাইনে নিতেন। বর্তমানে বেশ কিছু দোকানদার জিএসটি-র কারণে এড়িয়ে চলছেন অল্প কিছু লেনদেন। একদিকে খুচরো, অন্যদিকে ছোট ১ টাকার কয়েনের সমস্যায় নাজেহাল শহরবাসী সহ ব্যবসায়ীরা৷ দোকানদারদের দাবি, ক্রেতা থেকে ভিক্ষুক কেউই নিতে চান না ওই ছোট কয়েন, আমরা নিয়ে কী করব। এদিন ওই দোকানদার শিবু রায় বলেন, ‘আগে খুচরো নিতাম। পরে দেখছি এভাবে প্রায় ২০০ টাকা জমে গিয়েছে। ক্রেতারাও নিতে চাইছেন না। ফলে আমরা নিরুপায়। বারবার করে ব্যাংকে দৌড়াব খুচরোগুলোকে নোট করতে, নাকি ব্যবসা করব। অনলাইনে নিলেও জিএসটি-র চাপ।’

অন্যদিকে শহরবাসীর মতে, ওই টাকাগুলো কি রিজার্ভ  ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া থেকে অচল বলেছে? তাহলে কেন নেওয়া হচ্ছে না।

শুধু শহরে নয়, জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছোট ১ টাকার কয়েন নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে৷ বাজারে, দোকানে, টোটো, গাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে সকলেই আপত্তি জানাচ্ছেন এধরনের ১ টাকার কয়েন নিতে। ফলে লেনদেনের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিচ্ছে৷ শহরবাসী বিমল রায় বলেন, ‘আমার কাছে এভাবে অনেক খুচরো জমে ছিল। পরে কলকাতায় গিয়ে টাকাগুলো খরচ করেছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *