Jalpaiguri | গরমে নাজেহাল শহরবাসী, স্ট্যান্ড ফ্যান কেনার হিড়িকে হিমশিম বিক্রেতারা

Jalpaiguri | গরমে নাজেহাল শহরবাসী, স্ট্যান্ড ফ্যান কেনার হিড়িকে হিমশিম বিক্রেতারা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


জলপাইগুড়ি: মে মাসের শেষ থেকে তাপমাত্রার পারদ ধীরে ধীরে বাড়ছে। গরমে হাঁসফাঁস করতে করতে অনেকে একবার করে আবহাওয়ার অ্যাপগুলিতে চোখ রাখছেন। সেখানে যদিও তাপমাত্রা দেখাচ্ছে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে ‘ফিলস লাইক’ বলছে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই গরম থেকে নিষ্কৃতি পেতে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান কিনতে বয়েলখানা বাজারের এক দোকানে এসেছিলেন অর্পিতা সাহা। তাঁর মতে, এত গরমে সিলিং ফ্যান চালালে ছাদের গরম হাওয়া যেন নীচের দিকে নামছে। তাই ঘর ঠান্ডা রাখতে ভরসা স্ট্যান্ড ফ্যান।

অর্পিতার মতো অনেকে এই গরমে স্বস্তি পেতে ছুটছেন স্ট্যান্ড ফ্যান কিনতে। অন্যবারের তুলনায় ২০০-৪০০ টাকা বেশি দামে এই ফ্যানগুলি বিক্রি হচ্ছে। ১২০০-৩৫০০ টাকার মধ্যে মিলছে নানা ধরনের টেবিল ও স্ট্যান্ড ফ্যান। তবে শুধু নতুন ফ্যান কেনা নয়, যাঁদের বাড়িতে পুরোনো স্ট্যান্ড ফ্যান ছিল কিন্তু নষ্ট হয়ে গিয়েছে, তাঁরাও মেকানিকদের কাছে যাচ্ছেন ফ্যান সারাইয়ের জন্য।

জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) শহরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স দোকানে ঘুরলে চোখে পড়ছে টেবিল ফ্যান, স্ট্যান্ড ফ্যান, কিছু ক্ষেত্রে সিলিং ফ্যান কেনার হিড়িক পড়েছে। দোকানদাররা জানাচ্ছেন, সিলিং ফ্যানের থেকে টেবিল কিংবা স্ট্যান্ড ফ্যানের চাহিদা বেশি। বিক্রেতা সৌরভ আগরওয়াল বলেন, ‘বেচাকেনা বেশ ভালোই হচ্ছে। স্ট্যান্ড ফ্যানের চাহিদা বর্তমানে বেশি। কারণ ছাদ কিংবা টিনের চালের থেকে বিকেলের পর গরম হাওয়া নীচের দিকে নামে। ফলে সিলিং ফ্যানে আরও বেশি গরম লাগে। সে ক্ষেত্রে স্ট্যান্ড ফ্যান বাইরের ঠান্ডা হাওয়া ঘরে এনে দেয়। তাই লোকে এখন স্ট্যান্ড ফ্যান কিনছে।’ তিনি আরও জানান, গত এক মাসে তাঁর দোকানে ৫০-৬০টি স্ট্যান্ড ফ্যান বিক্রি হয়েছে।

এই ছাদ থেকে গরম হাওয়া নীচে নামার থিওরিতে বিশ্বাসী শহরবাসীও। পান্ডাপাড়ার বাসিন্দা অনুপ দাসের মতে, ‘এই গরমে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলাম। সিলিং ফ্যান চালালে উপর থেকেও গরম হাওয়া নামত। বাধ্য হয়ে একটা স্ট্যান্ড ফ্যান কিনেছি। এখন ঘর অনেক ঠান্ডা থাকে।’

গরম পড়তেই পুরোনো স্ট্যান্ড ফ্যান সারাইয়ের জন্য শহরের গোমস্তপাড়া, দিনবাজার, পান্ডাপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় ইলেক্ট্রনিক্স জিনিস মেরামতের দোকানে দেখা যাচ্ছে লম্বা লাইন। গরম থেকে বাঁচতে সকলে একদিনের মধ্যে ফ্যান সারাই করাতে চাইলেও তা সম্ভব নয় বলে আগে থেকেই জানিয়ে দিচ্ছেন মেকানিকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সারাইয়ের জন্য প্রচুর ফ্যান এসেছে। বাজারে মোটর, কনডেনসারের সাপ্লাই কম। তাই সময় লাগছে। এমন এক মেকানিক গোবিন্দ বসু জানান, এ বছর এখনও পর্যন্ত তিনি শতাধিক ফ্যান সারাই করেছেন। তাঁর মধ্যে অধিকাংশ স্ট্যান্ড কিংবা টেবিল ফ্যান। ব্যবসা ভালো হলেও জুন-জুলাই মাসে কাজের চাপ কতটা থাকবে, সেই চিন্তা করে শিউরে উঠছেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *