ওয়াশিংটন: সংকটের মুখে ইজরায়েল-হামাস (Israel-Hamas)| চুক্তি ভুলে হামলায় ফের রক্তাক্ত গাজা। হামাসকে হুঁশিয়ারি আমেরিকার শান্তিচুক্তি। সপ্তাহব্যাপী সংঘর্ষ বিরতির মাঝেই রাফা সহ দক্ষিণ গাজায় বিমান হামলা চালাল ইজরায়েল। হামাসের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের পর রবিবার হামলা চালায় আইডিএফ। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে বিষয়টি ফোনে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ।
ইজরায়েলের দাবি, হামাস সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে তাদের বাহিনীর ওপর রকেট, স্নাইপার হামলা চালিয়েছে। দাবি অস্বীকার করে হামাস কিন্তু ইজরায়েলকেই দায়ী করেছে। এদিনের ঘটনায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। দু-পক্ষের দাবি, পালটা দাবির মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
মার্কিন রিপোর্ট বলছে, গাজার অসামরিক ব্যক্তিদের ওপর হামলার ছক চালাচ্ছে হামাস। সেক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুপচাপ বসে থাকবে না। গাজার অধিবাসীদের বাঁচাতে পদক্ষেপ করা হবে। এই হুঁশিয়ারি মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের। কী পদক্ষেপ তা কিন্তু খোলসা করেনি আমেরিকা।
শনিবার বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘গাজায় নিরীহ প্যালেস্তিনীয়দের ওপর হামাসের হামলার ছকের গোপন রিপোর্ট তারা পেয়েছে। গাজায় শান্তি ফেরানোর চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য মধ্যস্থতাকারী দেশগুলি এখানকার অসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, স্থলভাগে শান্তি বজায় ও এলাকাকে সমৃদ্ধ করে তোলার প্রতিশ্রুতিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। হামাস হানা দিলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’
হামাসের পরিকল্পিত ছক সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ওয়াশিংটন (Washington)। অন্যদিকে, হামাস মার্কিন দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এটা আসলে ‘বিভ্রান্তিকর’ প্রচার।
