উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ফুটবল মানচিত্রে নতুন সূর্যোদয়। ২৪ ঘণ্টা আগে কোচ অস্কার ব্রুজো যে মন্ত্র দিয়ে দলকে উজ্জীবিত করেছিলেন, মাঠের লড়াইয়ে তার প্রতিফলন ঘটালেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা, রশিদ এবং ইউসেফ এজেজারিরা। ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়েও অদম্য মানসিকতার পরিচয় দিয়ে ইন্টার কাশীকে পরাজিত করল ইস্টবেঙ্গল। এই সাফল্য লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এক আবেগঘন মাইলফলক হয়ে থাকবে।
শনিবার ফুটবলের ময়দান সাক্ষী থাকল দুই ভিন্ন চিত্রের। একদিকে ইস্টবেঙ্গলের যখন জয়জয়কার, ঠিক তখন যুবভারতীতে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে ১-১ ড্র করে স্বপ্নভঙ্গ হল মোহনবাগানের। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য যেখানে মোহনবাগানের জয় ছিল বাধ্যতামূলক, সেখানে রক্ষণভাগের ব্যর্থতা এবং গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করার খেসারত দিতে হল সের্জিয়ো লোবেরার ছেলেদের।
ইস্টবেঙ্গলের জয়ের দিনে মোহনবাগানের ড্রয়ের ফলে পুরো সমীকরণ বদলে যায়। শেষ ম্যাচে পঞ্জাব এফসি-কে পরাজিত করে মুম্বই সিটি এফসি পয়েন্ট টেবিলে দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে। অন্যদিকে, গত দু’বারের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগানকে শেষ পর্যন্ত সন্তুষ্ট থাকতে হল লিগ টেবিলের তৃতীয় স্থানে।
ইস্টবেঙ্গলের এই জয় শুধুমাত্র একটি ট্রফি জয় নয়, বরং ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের পুনর্জাগরণের বার্তা। লড়াকু ফুটবল আর অদম্য জেদ—এই দুই সম্বল করেই আজ ভারতসেরা ইস্টবেঙ্গল।
