Indian ladies’s staff defeated Pakistan within the Asia Cup

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পাকিস্তান ৫৫/১০ (শাওয়াল ১৪, মুনিবা ১৩, শ্রী চরণী ৭/৩, প্রেমা ৯/৩)

ভারত ৫৭/৩ (হরমনপ্রীত ১৮*, দীপ্তি ১২*)

আরও পড়ুন:

৭ উইকেটে জয়ী ভারত

ক্রিকেট মাঠে ফের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ ভারতের। তাতে ছত্রভঙ্গ পাকিস্তান। যে কোনও খেলাতেই হোক, পাকিস্তানকে হারানোটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে ভারত। এবার আবারও এশিয়া কাপের আসরে স্পিনের ঘূর্ণিতে নাস্তানাবুদ পাকিস্তান। ভারতের চার স্পিনার মিলে নিলেন ৯ উইকেট। একটি রান আউট। দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে পাকিস্তানের ব্যাটারদের কার্যত দাঁড়াতেই দিল না ভারতের বোলিং। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৫৫ রানে অল আউট ফতিমা সানার দল। সেই লক্ষ্য ৩ উইকেট হারিয়ে পার করল ভারতের ‘সিংহীবাহিনী’। 

সবচেয়ে সফল শ্রী চরণী। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। চলতি বছর দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের এই স্পিনার। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তাঁর উইকেটসংখ্যা বেড়ে এখন ৩৪। তাঁর সামনে এবার নজিরের হাতছানি। আর দু’টি উইকেট নিলেই এক বছরে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি উইকেট নেওয়ার নজির গড়বেন। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিয়েছেন প্রেমা রাওয়াত। চার ওভারে ৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট তাঁর। দীপ্তি শর্মা ৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। শেফালি বর্মার শিকার একটি। তবে এমন দাপুটে পারফরম্যান্সের দিনেও কোচ অমল মজুমদারকে চিন্তায় রাখবে ক্যাচ মিস। 

এমন দাপুটে পারফরম্যান্সের দিনেও কোচ অমল মজুমদারকে চিন্তায় রাখবে ক্যাচ মিস। 

শনিবার টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফতিমা সানা। এই সিদ্ধান্ত অনেককেই তাজ্জব করেছে। বড় রান তুলে ভারতকে চাপে ফেলতে চেয়েছিলেন। উলটে সেটাই বুমেরাং হল। তবে শুরুটা মন্দ করেনি পাকিস্তান। দুই ওপেনার সাবধানে খেলছিলেন। উইকেট আঁকড়ে থাকার চেষ্টা করছিলেন। প্রথম উইকেটে উঠেছিল ২৭ রান। তার পরেই বদলে গেল ম্যাচের ছবি। ভারতীয় স্পিনারেরা বল করতে আসতেই পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের ভিত নড়ে গেল। পঞ্চম ওভারের তৃতীয় বলে মুনিবাকে ফিরিয়ে শুরুটা করেন শেফালি। তার পরের ১৩ ওভারে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে শুধুই আসা-যাওয়ার পালা। দুই ওপেনার ছাড়া আর কোনও ব্যাটার দুই অঙ্কের রানেও পৌঁছতে পারেননি।

দুবাইয়ের ধীর গতির উইকেটে কীভাবে ব্যাট করবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না পাক ব্যাটারেরা। সেই সুযোগই কাজে লাগাল ভারতের স্পিন-ত্রয়ী। একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে গুটিয়ে দিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৫৫ রানেই শেষ ফতিমাদের ইনিংস। টি-টোয়েন্টিতে এটাই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলগত রান। এর আগে তাদের সবচেয়ে কম রান ছিল ৫৬। ২০২৪ সালে এই দুবাইয়ের মাঠেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫৬ রানে শেষ হয়েছিল পাকিস্তান। এবার সেই লজ্জার রেকর্ডও ভাঙল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে। দুই ওপেনার ছাড়া আর কোনও পাক ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি।

টি-টোয়েন্টিতে এটাই পাকিস্তানের সর্বনিম্ন দলগত রান। এর আগে তাদের সবচেয়ে কম রান ছিল ৫৬।

৫৬ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। দ্বিতীয় ওভারে শেফালি বর্মা (১২) ও প্রতিকা রাওয়াল (৪)-কে ফিরিয়ে দেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফতিমা সানা। নিজের দ্বিতীয় ওভারে স্মৃতি মন্ধানা (৯) এলবিডব্লিউ হন তাঁরই বলে। তবে তাতে ম্যাচের ছবিটা বদলায়নি। হরমনপ্রীত কৌর ও দীপ্তি শর্মা দায়িত্ব নিয়ে ধীরে ধীরে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ৮.৪ ওভারেই ৫৬ রান তুলে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। জয়ের রানটি আসে হরমনপ্রীতের ব্যাট থেকে। প্রথমে চার, পরের বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করেন অধিনায়ক হ্যারি। ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে শুরু করেছিলেন শেফালি। আর শেষ বলে ছক্কা হাঁকালেন হরমনপ্রীত। একেই হয়তো ‘পারফেক্ট ফিনিশ’ বলে। তবে টপ অর্ডার নিয়ে ভাবতে হবে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *