India Alliance | ১ নভেম্বর দিল্লিতে ‘প্রতিবাদ সমাবেশ’, রূপরেখা ঠিক করতে আজই বৈঠকে বসছে ‘ইন্ডিয়া’

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিকে জোরালো করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র (India Alliance) শীর্ষ নেতৃত্ব। কংগ্রেস (Congress) সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের (Mallikarjun Kharge) আহবানে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল আলোচনায় আগামী দিনে দেশজুড়ে আন্দোলন কোন পথে এগোবে, তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে। পাশাপাশি, আগামী ১ নভেম্বর রাজধানীতে প্রস্তাবিত বিরোধী জোটের বিশাল জনসভার প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। গত বেশ কিছুদিন ধরেই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া এবং একাধিক নির্বাচনী অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলে সোচ্চার হয়েছে বিরোধী শিবির। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই পুরো প্রক্রিয়ার আড়ালে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার এক গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই যৌথ আন্দোলনকে আরও গতি দিতে চাইছে শরিক দলগুলি।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত ‘গণতন্ত্রের জন্য পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি বহু সমাজকর্মী এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পা মেলান। কঠোর নিরাপত্তার কড়াকড়ি ও ব্যারিকেড ভেদ করে এগিয়ে যাওয়া সেই মিছিল থেকে ভোটার তালিকা সংশোধনের একপাক্ষিক নীতির বিরুদ্ধে যৌথভাবে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে জাতীয় স্তরে বিরোধী শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে ওই কর্মসূচি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। রাজনৈতিক মঞ্চের পাশাপাশি ভোট চুরির এই বিতর্ককে কেবল কথার লড়াইয়ে সীমিত রাখতে নারাজ বিরোধী শিবির। আইনি পথেও বিষয়টির মোকাবিলা করতে তারা সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গত ১৩ অক্টোবর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির বাসভবনে এক বিশেষ চা-চক্রে মিলিত হয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রথম সারির নেতারা। সেই বৈঠকের পরই বিরোধীরা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিল যে, ভোটাধিকার হরণের এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে এবং বিষয়টি আইনি ও রাজনৈতিক উভয় মাধ্যমেই পরিণতিতে নিয়ে যাওয়া হবে।

আজকের এই ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রধানত পয়লা নভেম্বরের দিল্লি সমাবেশ সফল করার কৌশল নিয়েই আলোচনা হতে চলেছে। বিভিন্ন শরিক দলের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং আরও বেশি সংখ্যক সাধারণ মানুষ ও সমর্থককে এই কর্মসূচিতে যুক্ত করার দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সবমিলিয়ে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের এই সর্বাত্মক আন্দোলন আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে কোন নতুন মোড় নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *