উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ যশস্বী, গিল ও পন্থের সেঞ্চুরি সত্ত্বেও ৫০০ রানের গণ্ডি পেরোতে পারল না ভারত। ৪৭১ রানেই গুটিয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। ভারত ৪৩০/৩ থেকে গুটিয়ে যায় ৪৭১-তে। শেষ সাতটি উইকেট পড়ে মাত্র ৪১ রানে। ইংল্যান্ডের পেসার জোশ টাংয়ের দাপটে ধস নামে ভারতের ইনিংসে। তিনি ৮৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ভারতকে দ্বিতীয় দিনে ৪৭১ রানে বেঁধে ফেলেন। ৪৭১ রানের পাহাড় প্রমাণ লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ৩/২০৯। ভারত এখনও এগিয়ে ২৬২ রানে।
একসময় ৪৩০/৩ স্কোর দেখে মনে হচ্ছিল ভারত ৫০০ তো বটেই ৬০০ রানও করতে পারে। কিন্তু শেষ এমন পরিস্থিতি হবে ভারতের ব্যাটিংয়ে তা কল্পনাও করতে পারেননি কেউই। গিল ও পন্থ আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। সকালে ৩৯৫/৩ স্কোর থেকে খেলা শুরু করে ভারত। গিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা ১৪৭ রান করেন, আর পন্থ খেলেন চোখ ধাঁধানো ১৩৪ রানের ইনিংস। গিলকে আউট করে দুজনের মজবুত জুটি ভাঙেন বাশির। গিলকে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ করিয়ে ১৪৭ রানে ফিরিয়ে দেন। এদিন করুণ নায়ারের প্রত্যাবর্তন ছিল হতাশাজনক। আট বছর পর টেস্ট দলে ফিরে চার বল খেলে স্টোকসের বলে অলিভ পোপকে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে যান নায়ার।
করুণ আউট হওয়ার পরপরই জশ টাংয়ের এক রিভার্স সুইংয়ে এলবিডব্লিউ হন ঋষভ পন্থ। লাঞ্চের ঠিক আগে স্টোকসের বলে শার্দুল ঠাকুরও উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। লাঞ্চের পর টাংয়ের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন বুমরাহ। এরপর জাদেজাকে চাপ দিয়ে বোল্ড করেন টাং। পরে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকেও বোল্ড আউট করে ফিরিয়ে দেন টাং।
শনিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লিডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে একজোড়া উইকেট সংগ্রহ করা মাত্রই ইতিহাস গড়েন জসপ্রীত বুমরাহ। তিনি ভেঙে দেন পাক কিংবদন্তি ওয়াসিম আক্রমের সর্বকালীন রেকর্ড। সেই সঙ্গে ভারতীয় দলকে লড়াইয়ে রাখেন জসপ্রীত। এদিন ইনিংসের প্রথম ওভারেই আউট করেন ব্রিটিশ ওপেনার জ্যাক ক্রলিকে। পরে ইনিংসের ২৯তম ওভারে বুমরাহ সাজঘরে ফেরান ইংল্যান্ডের অপর ওপেনার বেন ডাকেটকে। ডাকেট ৯২ বলে করেন ৬৪ রান।
এদিন তৃতীয় উইকেটটিও নেন জসপ্রীত বুমরাহ। বুমরাহর বলে ২৮ রান করে আউট হন জো রুট। দ্বিতীয় দিনের শেষে ইংল্যান্ড ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৯ রান সংগ্রহ করেছে। ১০০ রান করে অপরাজিত আছেন পোপ ও শূন্য রানে অপরাজিত ব্রুক। এখনও ইংল্যান্ড পিছিয়ে ২৬২ রানে।
