Hyderabad | ‘ব্রেন ডেড’ হয়ে যাওয়া প্রেমিকের মোবাইল হাতিয়ে নিল প্রেমিকা, হাপিস ৩২ লক্ষ টাকা!  

Hyderabad | ‘ব্রেন ডেড’ হয়ে যাওয়া প্রেমিকের মোবাইল হাতিয়ে নিল প্রেমিকা, হাপিস ৩২ লক্ষ টাকা!  

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ পথ দুর্ঘটনায় প্রেমিকের ব্রেন ডেড হয়ে গিয়েছে। আর সেই চিকিৎসাধীন প্রেমিকেরই মোবাইল চুরি করে নিলেন প্রেমিকা! শুধু তাই নয়, এরপর সেই মোবাইল ব্যবহার করে প্রেমিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৩২ লক্ষ টাকা নিজের বাবার অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফারও করে নেন সেই তরুণী। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদে। ঘটনায় পুলিশি অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছেন জখম যুবকের মা।

জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর পোন্নাবোয়াইনা মল্লিকার্জুন যাদব  নামের ওই যুবক, তাঁর প্রেমিকা তথা ব্যবসার অংশীদার মেধা রেড্ডি, সাই পবন আসাদি নামের এক ব্যক্তি ও পরিচিত কয়েকজন মিলে পার্টি করেন। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্যারাডাইস ফ্লাইওভারে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন মল্লিকার্জুন। এরপর তাঁকে একটি কর্পোরেট হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে চিকিৎসক জানান যে, তাঁর ব্রেন ডেড হয়ে গিয়েছে। অভিযোগ, সেই সময় মল্লিকার্জুনের মোবাইলটি চুরি করে তাঁর আকাউন্ট থেকে ৩২ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করে নেন তাঁর প্রেমিকা মেধা রেড্ডি।

এই প্রসঙ্গে মল্লিকার্জুনের মা এলজি মুকেশ্বরী যাদব জানান, দুর্ঘটনার পর থেকেই তাঁর ছেলের মোবাইলটি পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে ছেলের চিকিৎসার জন্য টাকা জোগাড় করতে গিয়ে তাঁর নজরে আসে যে, ছেলের ব্যাঙ্ক আকাউন্ট থেকে ৩২ লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে ছেলের প্রেমিকার বাবার অ্যাকাউন্টে। এরপর তিনি পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ এফআইআর নেয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এরপরেই জখম যুবকের মা চিঠি লেখেন পুলিশ কমিশনারকে। পুলিশের অসহযোগিতা সহ পুরো ঘটনাটি তিনি জানান ওই চিঠিতে। আর এরপরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। চুরি, প্রতারণা সহ একাধিক অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয় মেধা, তাঁর বাবা রবি রেড্ডি এবং সাই পবন আসাদির বিরুদ্ধে। এরা সকলেই মল্লিকার্জুনের ব্যবসার অংশীদার ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। এর পাশাপাশি যে সকল পুলিশ আধিকারিক এবং কর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *