Human trafficking | ভিনরাজ্যে পাচারের ছক! শিলিগুড়ি রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার ৪ নাবালিকা   

Human trafficking | ভিনরাজ্যে পাচারের ছক! শিলিগুড়ি রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার ৪ নাবালিকা   

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


শিলিগুড়িঃ রেলকর্মীদের তৎপরতায় শিলিগুড়ি রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার হল চার নাবালিকা। এরা শিলিগুড়ি দুটি মহিলা স্কুলের ছাত্রী। ছাত্রীদের দাবি, পরিচিত এক মহিলার মাধ্যমে শিলিগুড়ি জংশন থেকে ট্রেনে আসামে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। কিন্তু সেই পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেন রেলকর্মীরা। চার ছাত্রী আদৌ সত্যি বলছে, নাকি নিজেরাই বাড়িতে না জানিয়ে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করেছিল, বর্তমানে এটাই ভাবাচ্ছে পুলিশকে।

জানা গিয়েছে, চার নাবালিকার পরিকল্পনা ছিল পরিবারের লোককে না জানিয়ে ট্রেনে আসামে যাওয়ার। পরিকল্পনামাফিক চার কিশোরী পৌঁছেও গিয়েছিল শিলিগুড়ি জংশনে। তারা জেনারেল টিকিট কাটতে কাউন্টারে গেলে সন্দেহ হয় রেলকর্মীদের। এরপরেই চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন রেলকর্মীরা। খবর দেওয়া হয় চার ছাত্রীর পরিবারকে। খবর পেয়ে পরিবারের লোকেরা পৌছান শিলিগুড়ি জংশনে। সেখানে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় চার নাবালিকাকে।

এদিকে পরিবারের লোকেরা বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় ফের নাবালিকারা টোটো থেকে লাফিয়ে পালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। সেই সময় কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের কর্মীরা তাঁদের ধরে ফেলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শিলিগুড়ি থানার পুলিশ। এই ঘটনায় চার নাবালিকার পরিবারের তরফে নারী পাচারের থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করে চার নাবালিকাকে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ।

নাবালিকাদের দাবি, গত কয়েকদিন আগে স্কুলের সামনে তাদের সঙ্গে এক মহিলার পরিচয় হয়। মহিলা প্রতিদিন স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন। ওই মহিলাই তাদের টাকার লোভ দেখায়, এবং আসামে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেয়। সেই প্রলোভনে পা দিয়েই আসামে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল তারা। পরিবার সূত্রে অভিযোগ, ওই চারজনকে আসামে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

এদিকে নাবালিকাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে শিলিগুড়ি জংশন এলাকার প্রতিটি সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। কিন্তু চার নাবালিকার সঙ্গে বা আশাপাশে কোনও মহিলার ছবি দেখা যায়নি বলে দাবি পুলিশের। এরপরেই উদ্ধার হওয়া নাবালিকাদের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে পুলিশের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে দার্জিলিং জেলা লিগাল এইড ফোরামের সভাপতি অমিত সরকার জানান,“এই ধরনের ঘটনা শিলিগুড়িতে বারবার ঘটছে। মানবপাচার রোধে আমরা বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প, সচেতনতা কর্মসূচি ও সতর্কবার্তা প্রচার করব। বাচ্চা থেকে বড় সকল স্তরে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *