উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কান পাতলে এখন একটাই নাম শোনা যাচ্ছে— ‘টক্সিক (Poisonous): আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’। যশের এই বিগ বাজেট প্রোজেক্ট নিয়ে অনুরাগীদের উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে। তবে শুধু যশ নয়, ছবির কাস্টিং এবং পরিচালক গীতু মোহনদাসের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। সম্প্রতি এই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ছবির অন্যতম অভিনেত্রী হুমা কুরৈশী (Huma Qureshi)।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হুমা কুরৈশী স্পষ্ট করেছেন, কেন এই ছবিটি ভারতীয় বাণিজ্যিক সিনেমার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হতে চলেছে। হুমা জানান, গীতু মোহনদাস এমন একজন পরিচালক যিনি প্রথা ভাঙতে জানেন। একজন নারী পরিচালক হিসেবে যশের মতো বড় তারকাকে নিয়ে এত বড় ক্যানভাসে কাজ করা মোটেও সহজ নয়। ইন্ডাস্ট্রির পুরুষশাসিত মানসিকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি যেভাবে কাজ করছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। হুমার মতে, যশের সঙ্গে গীতুর এই শৈল্পিক বোঝাপড়া দর্শকদের এক নতুন অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।
বাণিজ্যিক ছবির জগতে মহিলা পরিচালকদের কাজ করার লড়াই নিয়ে মুখ খুলেছেন হুমা। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, অনেক অভিনেতা মহিলা পরিচালকের নির্দেশ মানতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন না। কিন্তু সেখানে দাঁড়িয়ে যশ (Yash) এবং গীতুর এই মেলবন্ধন এক নতুন উদাহরণ। হুমা জানিয়েছেন, ছবিতে শুধু তিনি নন, নয়নতারা, কিয়ারা আডবাণী, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্তের মতো তারকারা যেভাবে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছেন, তা দর্শকদের চমকে দিতে বাধ্য।
সম্প্রতি হুমা কুরৈশীর প্রযোজিত ছবি ‘বেবি ডু ডাই ডু’-এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যশ। হুমাকে ‘সাহসী প্রযোজক’ হিসেবে অভিহিত করে যশ লেখেন, কঠিন পথ বেছে নেওয়ার এই জেদই তাকে গর্বিত করে। শিল্পীদের এই পারস্পরিক শ্রদ্ধাই যেন ‘টক্সিক’-এর সেটে এক অন্য উচ্চতা যোগ করেছে।
নয়নতারা থেকে কিয়ারা— তারকাখচিত এই ছবিটি নিয়ে হুমা কুরৈশীর কথায়, একটু অপেক্ষা করুন, যা আসছে তা প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে যাবে। বড় পর্দার এই ‘ফেয়ারিটেল’ দেখার জন্য এখন প্রহর গুনছে সিনেপ্রেমী মহল। উল্লেখ্য, আগামী ২৬ অগাস্ট প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলতে আসছে এই ছবি।

