করণদীঘি: বিহারের দারভাঙ্গায় (Darbhanga) নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার (Household Homicide Case) একই পরিবারের চার সদস্যের মৃতদেহ অবশেষে ফিরল উত্তর দিনাজপুরের করণদীঘি (Karandighi) থানার রসাখোয়ার মহেশপুর গ্রামে। বুধবার সকালে দেহগুলি গ্রামে পৌঁছাতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিজন ও প্রতিবেশীরা। গোটা এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট পর্ব মিটতেই মহেশপুরের বাসিন্দা সঞ্জিত দাস সপরিবারে বিহারের দারভাঙ্গা জেলার একটি পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সেখানেই একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন তাঁরা। কিন্তু গত মঙ্গলবার ভোরে আচমকাই নৃশংস রূপ নেয় সঞ্জিত। নিজের ঘুমন্ত স্ত্রী ফুলকুমারি দাস, দুই পুত্র এবং এক কন্যাসন্তানকে নির্মমভাবে খুন করে সে।
ঘটনার খবর পেয়েই তৎপর হয় বিহার পুলিশ। ঘাতক স্বামী সঞ্জিত দাসকে গ্রেপ্তার করে দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। আজ সকালে ময়নাতদন্ত শেষে দেহগুলি মহেশপুরে এসে পৌঁছায়। এপ্রসঙ্গে ফুলকুমারির বাবা বলেন, ‘পারিবারিক অশান্তি দীর্ঘদিন থেকেই ছিল। লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে সবাইকে খুন করেছে সঞ্জিত দাস।’ একজন বাবা কীভাবে নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের এভাবে শেষ করে দিতে পারল, তা ভেবে শিউরে উঠছেন প্রতিবেশীরা। অভিযুক্ত সঞ্জিতের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামবাসী।
