Himachal bus accident | হিমাচলে গভীর খাদে যাত্রীবাহী বাস! মৃত অন্তত ৭, আহত ১১

Himachal bus accident | হিমাচলে গভীর খাদে যাত্রীবাহী বাস! মৃত অন্তত ৭, আহত ১১

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: পাহাড়ের আঁকাবাঁকা ও বিপদসঙ্কুল রাস্তায় ফের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। শনিবার সকালে হিমাচল প্রদেশের (Himachal bus accident) চাম্বা (Chamba) জেলায় একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ১০০ ফুট গভীর খাদে গিয়ে পড়লে অন্তত ৭ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বাসের চালক ও কনডাক্টর সহ প্রাণ হারিয়েছেন বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ১১ জন। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ (Police) ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটি শনিবার সকালে বৈরাগড় থেকে চাম্বার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। বাসটি মাত্র তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তিসা-বৈরাগড় রুটের চালুজ বাঁকের কাছে পৌঁছতেই চালক গাড়িটির ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যে বাসটি রাস্তা থেকে ছিটকে প্রায় ১০০ ফুট গভীর খাদে গড়িয়ে পড়ে এবং দুর্ঘটনাগ্রস্ত স্থানের ঠিক নীচের রাস্তায় গিয়ে আছড়ে পড়ে।

দুর্ঘটনার পরপরই সেখানে তীব্র চাঞ্চল্য শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনিক দল পৌঁছানোর আগেই নিজেদের উদ্যোগে উদ্ধারকাজে নেমে পড়েন। পরবর্তীতে পুলিশ, প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৎপরতা শুরু করে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটির ভেতর থেকে যাত্রীদের বের করতে উদ্ধারকর্মীদের চরম বেগ পেতে হয়। বাসে আনুমানিক ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গিয়েছে। গুরুতর আহত ১১ জন যাত্রীকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চাম্বা হিমাচলের অন্যতম দূরবর্তী অঞ্চল হওয়ায় গণপরিবহনের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। আর এই সুযোগেই বাসগুলিতে প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পাহাড়ি পথের ওই কুখ্যাত ও বিপজ্জনক বাঁকটিতে চালকের নিয়ন্ত্রণহীনতা বা অসাবধানতাই এই ভয়াবহ পরিণতির মূল কারণ। অতীতেও ওই নির্দিষ্ট স্থানটিতে একাধিক মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়ের এই সমস্ত বিপদসঙ্কুল রুটে বেসরকারি বাসগুলির বেপরোয়া গতি ও অদক্ষ চালকদের দৌরাত্ম্য বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *