গত ১২ বছরে মোদি জমানায় যে ইস্যুটি নিয়ে বিরোধীরা সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছেন সেটি হল বেকার সমস্যা। করোনা পরবর্তী সময়ে দেশ রেকর্ড বেকারত্ব দেখেছে। এখনও দেশের আর্থিক উন্নতিতে অন্যতম অন্তরায় বেকার সমস্যা। কেন্দ্রের তথ্যেই সেটার উল্লেখ রয়েছে। এবার এই সমস্যা মেটাতে অভিনব পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রিসভার মন্ত্রী তথা কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী।
শুক্রবার বেঙ্গালুরু-তে বেকার যুবক-যুবতীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় কুমারস্বামী সরকারি চাকরির বিধিতে কিছু বদল আনার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলছেন, “আমার প্রস্তাব হল, সরকারি চাকরির মেয়াদ ১০-১৫ বছরে বেঁধে দেওয়া হোক।” তাঁর কথায়, “একবার কেউ সরকারি চাকরি পেয়ে গেলে ৩০-৩৫ বছর সেই পদে থেকে যায়। তাঁর পরিবারের খেয়াল সরকার রাখে। কিন্তু যাঁদের হাতে সরকারি চাকরি থাকে না তাঁদের কথা কেউ ভাবে না। নতুন করে ওই কাজের মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দিলে অনেক বেশি মানুষ চাকরি পাবে। তাঁদের পরিবারও বাঁচবে।”
আরও পড়ুন:
ঠিক কী পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ভারী শিল্প এবং স্টিল বিষয়ক মন্ত্রীর? কুমারস্বামী বলছেন, “সব পরিবার চাকরি পাক এটা নিশ্চিত করতে সরকারি চাকরির মেয়াদ ১০-১৫ বছর করতে চাই আমি। ওই চাকরি থেকে অবসরের পর তিনি ৮-১০ হাজার টাকা পেনশন পাবেন। তাঁর জায়গায় অন্য কেউ সরকারি চাকরি করবেন। এভাবে দুটো পরিবারের উপকার হবে। তাছাড়া ১০-১৫ বছর সরকারি চাকরি করার পর কর্মীরা অন্য কাজ করতে পারেন, বেসরকারি চাকরিও করতে পারেন।”
যদিও কুমারস্বামীর ওই পরিকল্পনা গোটা দেশের জন্য নয়। শুধু কর্নাটকের জন্য। আগামী বছর কংগ্রেস শাসিত রাজ্যটিতে নির্বাচন। সেখানে ভোটে কুমারস্বামীর অন্যতম প্রতিশ্রুতি হতে চলেছে এই ‘শর্ট টার্ম’ সরকারি চাকরি। তবে তিনি পুরনো কর্মীদের চাকরির মেয়াদ কমাতে চান না। নতুন কর্মীদের কম মেয়াদে নিয়োগ করতে চান।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
