জলপাইগুড়িঃ সল্টলেকের দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। এই ঘটনায় বিডিওর গাড়ির চালক ও তাঁর ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারকে গ্রেপ্তার করলেও মূল অভিযুক্ত বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে এখনও কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে সব মহলে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
রবিবার উত্তরবঙ্গে এসেছেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এদিন তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ সহ একাধিক তথ্য-প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মূল অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বিধাননগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। এতবড় ভয়ঙ্কর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রশান্ত বর্মনকে ক্লোজ না করে স্ব-পদে বহাল রেখেছেন। প্রশান্ত বর্মনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সেকারণে পুলিশ বিডিওর কেশাগ্র স্পর্শ করার সাহস পায়নি।
সুকান্তের স্পষ্ট বক্তব্য, অপহরণের পর খুন করেও যিনি বেঁচে যান, তাতে বোঝা যায় এই অপরাধীকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন অভিযুক্ত বিডিওর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, অল্প সময় চাকরি করে বিডিও বিভিন্ন জায়গায় নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তৈরি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সোনার কালো কারবার করার অভিযোগ রয়েছে। এসবের তদন্ত হওয়া উচিত।
