Gobindobhog Rice Theft | কেরালা না গিয়ে গায়েব ৪০ লক্ষের চাল! জাল নম্বর লাগিয়ে ট্রাক নিয়ে চম্পট, পুলিশের জালে ২

Gobindobhog Rice Theft | কেরালা না গিয়ে গায়েব ৪০ লক্ষের চাল! জাল নম্বর লাগিয়ে ট্রাক নিয়ে চম্পট, পুলিশের জালে ২

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


বর্ধমান: কেরালায় চাল পৌঁছে দেওয়ার নাম করে লরি ভর্তি ৪০ লক্ষ টাকার গোবিন্দভোগ চাল (Gobindobhog Rice Theft) নিয়ে চম্পট দিয়েছিল চালক। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) মাধবডিহি থানার পুলিশের তৎপরতায় নদিয়া (Nadia) জেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হল লরির চালক ও তার সহযোগীকে। উদ্ধার হয়েছে চুরি যাওয়া ৪০০ বস্তা মূল্যবান চাল ও সেই ট্রাকটিও।

জালিয়াতির সুপরিকল্পিত ছক: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ ডিসেম্বর মাধবডিহি থানার (Madhabdihi Thana) বুলচন্দ্রপুর এলাকার একটি রাইস মিল থেকে ২৫ টন গোবিন্দভোগ চাল কেরালায় পাঠানোর জন্য একটি ট্রাকে লোড করা হয়। রায়নার পলেমপুরের একটি ট্রান্সপোর্ট সংস্থার মাধ্যমে ওই ট্রাকটি জোগাড় করা হয়েছিল। কথা ছিল, ট্রাকটি সরাসরি কেরালায় যাবে। কিন্তু ২২ ডিসেম্বর থেকে ট্রাক চালক বা লরি মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সন্দেহ হয় মিল কর্তৃপক্ষের।

সন্দেহ হওয়ায় ট্রাকটির নম্বর ধরে খোঁজ নিতেই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। মিল কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন, যে ট্রাকে চাল লোড করা হয়েছিল তার নম্বর এবং মালিকানা সংক্রান্ত সমস্ত তথ্যই জাল। যে নম্বরের ট্রাকটি রাইস মিলে এসেছিল, তার আসল মালিক হুগলি জেলায় রয়েছেন এবং তাঁর ট্রাকটি সেই সময় বাড়িতেই ছিল। অর্থাৎ, চোর চক্রটি একটি ভুয়ো নম্বর প্লেট ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে চালের বরাতটি হাতিয়ে নিয়েছিল।

পুলিশি অভিযানে সাফল্য: বিষয়টি জানাজানি হতেই রাইস মিল কর্তৃপক্ষ মাধবডিহি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) অভিষেক মণ্ডলের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠিত হয়। পুলিশি অভিযানে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সাফল্য আসে। প্রথমে নদিয়ার চাকদহ এলাকা থেকে লরি চালক মিলন দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জেরা করে নদিয়ারই কৃষ্ণনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তার সহযোগী তাপস শর্মাকে।

ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানতে পারে, চুরি করা চাল হুগলির বলাগড় এলাকায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সেই মতো অভিযান চালিয়ে শুক্রবার সেখান থেকেই ট্রাকটি এবং চুরি যাওয়া ৪০০ বস্তা চাল উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।

তদন্তের পরবর্তী ধাপ: শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে। এসডিপিও জানিয়েছেন, এই চক্রে আর কেউ জড়িত কি না এবং বাকি চাল কোথায় লুকানো হয়েছে, তা জানতে তাপস শর্মাকে পুলিশি হেপাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মূল অভিযুক্ত চালককে শনাক্তকরণের জন্য টিআই প্যারেডের আবেদন জানানো হয়েছে। ট্রান্সপোর্ট সংস্থার পক্ষ থেকে এমন ভুয়ো নথির ট্রাক কীভাবে পাঠানো হল, সেই গাফিলতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *