Ghoksadanga | সৌজন্যে হরিয়ানা পুলিশ, ২২ বছর পর ঘরে ফিরলেন বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ঘোকসাডাঙ্গার রেজাউল

Ghoksadanga | সৌজন্যে হরিয়ানা পুলিশ, ২২ বছর পর ঘরে ফিরলেন বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ঘোকসাডাঙ্গার রেজাউল

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


ঘোকসাডাঙ্গা: সম্প্রতি দিল্লি, হরিয়ানা, পঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের আটকে বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে সরগরম রাজ্যের রাজনীতি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর প্রতিবাদে সরব হয়েছেন। ভিন রাজ্যের পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষুব্ধ তিনি। এই পরিস্থিতির মাঝেই হরিয়ানা পুলিশের (Haryana Police) সৌজন্যে ২২ বছর পর বাড়ি ফিরলেন মাথাভাঙ্গা-২ ব্লকের উনিশবিশার বাসিন্দা রেজাউল আলম। এত বছর পর রেজাউল বাড়ি ফেরায় খুশি তাঁর পরিবারও।

জানা গিয়েছে, ২০০৩ সালে বাড়ি ছেড়ে চলে যান রেজাউল আলম। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ২৫ বছর। তারপর থেকে পরিবারের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ নেই তাঁর। তিনি কোথায়, কী অবস্থায় আছেন তা কেউ জানতেন না। কিন্তু সম্প্রতি হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলার নিট থানার পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে রেজাউলকে আটক করে। তাঁর কাছে বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হয়। কিন্তু ভোটার কার্ড সহ বাকি পরিচয়পত্র হারিয়ে ফেলেছেন বলে হরিয়ানা পুলিশকে জানান তিনি। পাশাপাশি তাঁর বাড়ি কোচবিহারের মাথাভাঙ্গা-২ ব্লকের ঘোকসাডাঙ্গা থানা (Ghoksadanga) এলাকায় বলেও জানিয়েছিলেন রেজাউল। এরপরই তাঁর থেকে পাওয়া তথ্য এবং তাঁর ছবি সহ ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ হরিয়ানা পুলিশ। তারপর ঘোকসাডাঙ্গা থানার পুলিশ খোঁজ খবর নিয়ে রেজাউলের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

রেজাউল হরিয়ানায় রয়েছে তা জানতে পেরেই তাঁর পরিবার এক আত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। যিনি ফরিদাবাদে কাজ করেন। ওই আত্মীয় থানায় গিয়ে রেজাউলের সঙ্গে দেখা করেন। হরিয়ানা পুলিশ নিয়ম মেনে রেজাউলকে ফরিদাবাদে থাকা তাঁর আত্মীয়ের হাতে তুলে দেয়। এরপর রেজাউলের ছোট ভাই কাদের আলি হরিয়ানায় যান। অবশেষে ২২ বছর পর মঙ্গলবার তিনি দাদাকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

এদিন উনিশবিশার পাটাকামারি এলাকায় গিয়ে রেজাউলের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১০- ১২ দিন আগে তাঁকে হরিয়ানার পুলিশ বাংলাদেশি সন্দেহে আটক করেছিল। তিনি এত বছর বাড়ি কেন ফেরেননি তা জানতে চাইলে উত্তরে জানান, বৈধ কাগজপত্র ছিল না তাঁর কাছে। তাছাড়া পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না, তাই বাড়ি ফেরা সম্ভব হয়নি।

রেজাউলের ভাই কাদের আলি, আস্কার আলিদের কথায়, ‘অবশেষে হরিয়ানা পুলিশ ও ঘোকসাডাঙ্গা পুলিশের সহযোগিতায় দাদাকে ফিরে পেলাম।’ এদিকে, ২২ বছর পর রেজাউলের বাড়ি ফেরার খবর পেয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসছেন আত্মীয়স্বজনরাও। তাঁদের দাবি, বিভিন্ন রাজ্যে বাংলাদেশি সন্দেহে পরিযায়ী শ্রমিকদের আটকে হেনস্তার অভিযোগের মাঝেই হরিয়ানার পুলিশের সৌজন্যেই বাড়ি ফিরল রেজাউল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *