Gazole | জাতীয় তিরন্দাজিতে ব্রোঞ্জ গাজোলের মেয়ের

Gazole | জাতীয় তিরন্দাজিতে ব্রোঞ্জ গাজোলের মেয়ের

শিক্ষা
Spread the love


গৌতম দাস, গাজোল: সর্বভারতীয় তিরন্দাজি প্রতিযোগিতায় ফের একবার সফল হলেন গাজোলের (Gazole) মেয়ে মন্দিরা রাজবংশী। ২১তম এনটিপিসি সিনিয়ার কম্পাউন্ড (মহিলা) ন্যাশনাল আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতলেন তিনি। ১৩ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত হায়দরাবাদের বেগমপেটে আর্চারি অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া এবং তেলেঙ্গানা আর্চারি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে সর্বভারতীয় তিরন্দাজি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে মন্দিরা হায়দরাবাদে রয়েছেন। এদিকে, ছাত্রীর এই সাফল্যে খুশি মন্দিরার প্রথম কোচ শ্রীমন্ত চৌধুরী।

পুরাতন মালদার আদিনা স্টেশন সংলগ্ন পীরগাই গ্রামের বাসিন্দা মন্দিরা ছোট থেকেই তিরন্দাজ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর প্রতিভা দেখে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য নিয়ে এসেছিলেন শ্রীমন্ত। এবার হায়দরাবাদের আয়োজিত সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় মন্দিরা ব্রোঞ্জ জিতলেও প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন মহারাষ্ট্রের অদিতি গোপীচাঁদ এবং মধুরা। পশ্চিমবঙ্গের মন্দিরা ৭০১ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছেন। নভেম্বর মাসের ১৬ তারিখে কলকাতার সাইয়ে বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকেই সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান মন্দিরা। বর্তমানে হায়দরাবাদেই থাকায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তবে আগামী বৃহস্পতি বা শুক্রবার তিনি গাজোলে আসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।

মন্দিরার কোচ শ্রীমন্ত বলেন, ‘২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত গাজোল বিএস মাঠে মন্দিরাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। এরপর সে কলকাতার সাই প্রশিক্ষণকেন্দ্রে সুযোগ পেয়েছিল। ২০২০ সালে ওডিশাতে অনুষ্ঠিত খেলো ইন্ডিয়া খেলো-র জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় দলগত বিভাগে তৃতীয় স্থান অধিকার করে মন্দিরা।’ ২০২২ সালে খেলোয়াড় কোটায় চাকরি পেয়ে মন্দিরা অসম রাইফেলসে যোগদান করেও নানা প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। ২০২৩ সালে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া পুলিশ মিটে তিনি সোনা জেতেন। এমনকি গত বছর নয়ডার আইটিবিপি ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত হয় অল ইন্ডিয়া পুলিশ মিটেও ব্যক্তিগত এবং দলগত বিভাগে রুপো জয় করেন তিনি।

এদিকে, এক ছাত্রীর সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হলেও আক্ষেপের সুরে শ্রীমন্ত বললেন, ‘গ্রামে গ্রামে ঘুরে প্রতিভাবান ছেলেমেয়েদের নিয়ে এসে আমি প্রশিক্ষণ দিই। সেইভাবেই মন্দিরাকে পেয়েছি। জুয়েল সরকারের মতো জাতীয় খেলোয়াড় আমার হাত ধরেই উঠে এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে যদি একটু সহযোগিতা পাওয়া যেত তাহলে মালদা জেলা থেকে এরকম অনেক তিরন্দাজিকে চিহ্নিত করা যাবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *