Gazol | পুণ্ডিবাড়ি থেকে দক্ষিণেশ্বর! দুঃসাহসিক পরিকল্পনা এই তরুণের, জানুন কি করছেন তিনি

Gazol | পুণ্ডিবাড়ি থেকে দক্ষিণেশ্বর! দুঃসাহসিক পরিকল্পনা এই তরুণের, জানুন কি করছেন তিনি

ব্লগ/BLOG
Spread the love


গাজোল: নিজের মনের ইচ্ছা পূরণ এবং জনগণের মঙ্গল কামনায় কোচবিহারের (Cooch Behar) পুন্ডিবাড়ি থেকে দক্ষিণেশ্বর ভবতারিণী মায়ের মন্দির (Dakshineswar Temple) পর্যন্ত দণ্ডী কেটে চলেছেন পুন্ডিবাড়ির তরুণ বিভাস চক্রবর্তী (৩০)। কোচবিহার থেকে দক্ষিণেশ্বর প্রায় ৮০০ কিলোমিটার পথ এভাবেই পাড়ি দেবেন তিনি। সোমবার ১১৩ দিনে পড়ল তাঁর এই যাত্রা। সামনে রয়েছে আরও প্রায় ১০০ দিনের পথ। তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন নদীয়ার ফুলিয়া কৃত্তিবাস ধামের সাধক গণেশ গিরি।

ছবি নিজস্ব প্রতিনিধির

সোমবার সকালে দেখা গেল ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে দণ্ডী কেটে এগিয়ে চলেছেন এক তরুণ। তাঁর পেছনে সাইকেলে বিভিন্ন সামগ্রী নিয়ে চলেছেন এক সাধু বাবা। কৌতুহলবশত তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতা করতে গিয়ে জানা গেল, পুন্ডিবাড়ি থেকে দক্ষিণেশ্বরের উদ্দেশে চলেছেন তিনি। নাম বিভাস চক্রবর্তী। বিভাস বাবু জানালেন, ‘নিজের মনের ইচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় দক্ষিণেশ্বরে মায়ের কাছে পুজো দিতে যাচ্ছি। তবে আমার কি ইচ্ছে রয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে গোপন থাকবে। গত ১৯ জুলাই আমার এই অভিযান শুরু হয়। তারপর পুজো দিয়েছি জল্পেশ মন্দিরে। শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধান নগর পর্যন্ত এলাকার বেশ কয়েকজন আমার সঙ্গে ছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা ফিরে যান। তারপর একা একাই চলেছি। ইসলামপুর থেকে আমার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাধক গণেশ গিরি। ইসলামপুরের বেশকিছু মানুষ সাইকেল এবং এই জিনিসপত্র কিনে দিয়েছেন। আজ ১১৩ তম দিন। হয়তো আরও ১০০ দিন এভাবেই চলতে হবে আমাকে। প্রতিদিন সকাল ছ’য়টা থেকে রাত দশটা – এগারোটা পর্যন্ত দণ্ডী কাটি। নিজেরাই যা পারি ফুটিয়ে খাই। তবে কেউ যদি নিরামিষ খাবার দেয়, তাহলে সেটিও গ্রহণ করি। রাত কাটাই কোনও মন্দির অথবা অন্য কোনও জায়গায়। এভাবেই একদিন মায়ের দরজায় পৌঁছে যাব।’

ছবি নিজস্ব প্রতিনিধির

পাশাপাশি সাধক গণেশ গিরি বললেন, ‘আমার বাড়ি নদীয়ার ফুলিয়ার কৃত্তিবাস ধামে। সাধনার জন্য চোপড়া তিন মাইল শ্মশানে ছিলাম। এরপর বিভাস বাবুর সঙ্গে আমার কথাবার্তা হয়। তাকে আমি কথা বলেছি দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত সঙ্গে থাকব। তিনি যেভাবে দণ্ডী কেটে চলেছেন তা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। আপনারা সবাই ওকে আশীর্বাদ করুন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *