Fruit Value Hike Ramadan | রমজানে ফলের বাজারে ‘আগুন’! জলপাইগুড়িতে চড়া দামে বিকোচ্ছে তরমুজ ও ড্রাই ফ্রুটস

Fruit Value Hike Ramadan | রমজানে ফলের বাজারে ‘আগুন’! জলপাইগুড়িতে চড়া দামে বিকোচ্ছে তরমুজ ও ড্রাই ফ্রুটস

শিক্ষা
Spread the love


অনীক চৌধুরী, জলপাইগুড়ি: তরমুজ, মালটা, আপেল, পেয়ারা, আঙুর, রমজান মাসে আকাশছোঁয়া দাম প্রায় সব ফলেরই (Fruit Value Hike Ramadan)। রমজানে রোজা খোলার পর ফলাহার করেন অনেক রোজাদারই। তাই এই সময়টায় ফলের চাহিদা থাকে ভালোই। দামও বেশি। বেশি দাম হলেও ফল কিনতে হচ্ছে রোজাদারদের।

স্টেশন বাজারের ফল বিক্রেতা উদয় দাসের কথায়, ‘এ বছর ফলের সরবরাহ ভালোই ছিল। কিন্তু গত এক মাসে আপেল আর আঙুরের সাপ্লাই কমেছে। তাই মহাজনরা স্টকের ফল সাপ্লাই করায় দাম একটু বেশি।’

ফল বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, রোজা তাই ফলের দাম বেশি। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে আঙুরের দাম কেজিতে বেড়েছে প্রায় ২০ টাকা। বর্তমানে আঙুরের দাম ১৯০-২২০ টাকার মধ্যে। দাম আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিক্রেতারা। এখন সবচেয়ে দাম বেড়েছে আপেল, মুসম্বি, নাসপাতি, আঙুরের। শহরের বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেল, তরমুজ ৪০-৫০ টাকা কেজিতে বিকোচ্ছে। যা সাধারণ দিনের থেকে ১০ টাকা বেশি। তিনদিনের ব্যবধানে মালটার দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। ২০-৪০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে আপেল। পেয়ারার দামও কেজিতে ২০-৩৫ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। দিনবাজারে ফল কিনতে এসে মুফতি মাহবুব আলম নামে এক ক্রেতা বলছিলেন, ‘এই সময় সূর্যাস্তের পর আমাদের রোজা খোলার ক্ষেত্রে ফল অন্যতম খাদ্য। কিন্তু এসময় দাঁড়িয়ে ফলের দাম এতটা বেশি থাকায় খুব অসুবিধে হচ্ছে। অনেকের আর্থিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তাঁরা কিনবেন কীভাবে?’

এদিকে, ড্রাই ফ্রুটসের (Dry Fruits) ক্ষেত্রে কাজু ১০০০-১১০০ টাকা কেজি, ড্রাই ফ্রুটস মিক্স বক্স ২৫০ গ্রামের দাম ৩০০-৩৫০ টাকা, খেজুরের বক্স কেজি ৫০০ টাকা, প্যাকেট ৩০০ টাকা কেজি, আখরোট ২৫০ গ্রাম ৩০০ টাকা, পেস্তা ২৫০ গ্রাম ৩৫০ টাকা কেজিতে বিকোচ্ছে শহরের বাজারে। ড্রাই খেজুর ৪০০ টাকা কেজিতে বিকোচ্ছে বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ী জগৎ রায়।

দিনবাজারে ফল ও ড্রাই ফ্রুটস কিনতে আসা আরেক ক্রেতা হাসিনা খাতুনের কথায়, ‘কোনও ফলেই হাত দেওয়া যাচ্ছে না। যে ফলই কিনতে যাই না কেন, দাম অন্য সময়ের থেকে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেশি। এভাবে আমাদের চলবে কী করে।’

জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেল, মুসম্বি ৭৫-৮৫ টাকা কেজি, স্ট্রবেরি ৯০-১২০ টাকা প্যাকেট, কলা ২০-৩০ টাকায় ৪টে বিক্রি হচ্ছে। মোটের উপর দেখতে গেলে সব ফলই বিকোচ্ছে বেশি দামে। বিক্রেতা অসীম দাস বলছেন, ‘এখন অফ সিজন। সাপ্লাই কম। তাই ফলের দামও একটু বেশি। তবে আমরা যতটা পারছি ছাড় দিচ্ছি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *