Election Marketing campaign | মহিলাদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, নির্বাচনি প্রচারে মমতাকেই অনুসরণ অগ্নিমিত্রা পালের   

Election Marketing campaign | মহিলাদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, নির্বাচনি প্রচারে মমতাকেই অনুসরণ অগ্নিমিত্রা পালের   

শিক্ষা
Spread the love


আসানসোলঃ  লক্ষীর ভাণ্ডার না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। কোন প্রকল্প বাজিমাত করবে ২০২৬ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে? সেটা সময় বলবে। কিন্তু নির্বাচনের কয়েক মাস আগে থেকেই এই দুই প্রকল্প নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রধান বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে। তার আঁচ এবার এসে পড়ল আসানসোল শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে।

নিজের নিজের বিধানসভায় তিন হাজার টাকার অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, পাকা বাড়ি, জমির পাট্টা, চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। শর্ত একটাই ২৬-এর ভোটে রাজ্যে নিয়ে আসতে হবে বিজেপিকে। যা নিয়ে বেঁধেছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

শাসক দলের কথায়, মুখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বিরোধিতা করলেও ভোটের আগে নিজের প্রচারে একই পথে হাঁটছেন আসানসোলের বিজেপি বিধায়ক। নিজেদের তো কোনও এজেন্ডা নেই, তাই মুখ্যমন্ত্রীর জনমুখী প্রকল্পগুলিকেই ভিন্ন নাম দিয়ে ভোটারদের প্রলোভন দেওয়ার চেষ্টা করছেন অগ্নিমিত্রা পাল। বিজেপি বিধায়কের এই প্রচার নিয়ে কটাক্ষ করেছেন আসানসোল পুরনিগমের মেয়র তথা বারাবনির বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়।

অগ্নিমিত্রা পালের দাবি, বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার এলে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার টুকুই মিলবে। আর কিছু পাওয়া যাবে না। তার অভিযোগ, পানীয়জল নেই, রাস্তা নেই, নেই জলনিকাশি ব্যবস্থা। রাস্তায় আলো নেই। এমনকি চাকরি নেই। বেহাল স্বাস্থ্য পরিষেবা। হাসপাতাল আছে, সেখানে ওষুধ নেই। সব ক্ষেত্রে দূর্নীতি। মন্ত্রী থেকে নেতা সবাই জেলে গেছেন। তার বক্তব্য, তাই রাজ্যে তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করতেই হবে। ডবল ইঞ্জিন সরকার হলেই দুর্নীতি মুক্ত হবে সব জায়গা। সবাইকে পরিষেবা দেওয়া হবে।

অগ্নিমিত্রা পালের এই বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগের প্রচার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যার সমালোচনা ও কটাক্ষ করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।

আসানসোল পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপির একেক জন একেক রকম কথা বলছেন। কেউ বলছেন দান খয়রাতি দেওয়া হচ্ছে। এখন নিজেরাই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নাম বদলে, টাকা বাড়িয়ে অন্য নাম দিয়ে প্রচার করছেন। আসল কথা হল, তারা বুঝে উঠতেই পারছেন না, কোথায় কী বলতে হবে। বাংলার মানুষ জানেন এই ১৪ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার জন্য কি করেছেন। তাই তারা রাজ্যের জন্য সঠিক দলকেই বেছে নেবেন বলে, দাবি বিধান উপাধ্যায়ের।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *