East Bengal girls defeat Ho Chi Minh Metropolis FC in AFC Ladies’s Champions League

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ইস্টবেঙ্গল: ২ (ফাজিলা)
হো চি মিন সিটি: ১ (আহন)

প্রতিপক্ষ ছিল গত মরশুমে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি এফসি। তাদের বিরুদ্ধে ফুল ফোটালেন ইস্টবেঙ্গলের মেয়েরা। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গত মরশুমে গ্রুপ পর্বেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মশাল গার্লসের। রবিবার কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই মশাল জ্বাললেন অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল। ভিয়েতনামের দলকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউটে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু লেসলি ক্লডিয়াস সরণির ক্লাবের। 

আরও পড়ুন:

এএফসি মহিলা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রাথমিক পর্বে দুরন্ত ছন্দে ছিল ইস্টবেঙ্গল। শেষ পাঁচটি ম্যাচেই জয় পেয়েছিল লাল-হলুদ। সেই আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন দেখা গেল হো চি মিন সিটির বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে। ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য পরীক্ষার মুখে পড়তে হয় ইস্টবেঙ্গলের গোলরক্ষক পান্থোই চানুকে। ৩ মিনিটের মাথায় তিনি রুখে না দাঁড়ালে এগিয়ে যেতে পারত ভিয়েতনামের প্রতিপক্ষ। পালটা আক্রমণে ফাজিলার ক্রস থেকে সুযোগ তৈরি হয়েছিল। দুরন্ত বল পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রেস্টি নানজিরি।

১৫ মিনিটের পর থেকে মাঝমাঠের দখল নিতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। এই সময়টুকু লম্বা পাসে আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করে হো চি মিন সিটি। ১৮ মিনিটে বিপক্ষ বক্সে হ্যান্ডবলের আবেদন জানায় ইস্টবেঙ্গল। রেফারি ফেয়ার প্লে রিভিউ সিস্টেমের (এফভিএস) সাহায্য নিয়ে সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করেন। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি পায় লাল-হলুদ। ২১ মিনিটে স্পট কিক থেকে গোল করতে ভুল করেননি ফাজিলা। তাঁর নিচু শট প্রতিপক্ষ গোলরক্ষককে পরাস্ত করে। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সেই ফাজিলাই। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে চালকের আসনে বসিয়ে দেন তিনি। প্রথমার্ধে বেশ কয়েকবার আক্রমণে উঠেছিল হো চি মিন সিটি। তবে ডিফেন্সের ‘শেষ প্রহরী’ পান্থোই সজাগ থাকায় গোলমুখ খুলতে পারেনি তারা। ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে অবশ্য ছবিটা কিছুটা বদলায়। ৪৭ মিনিটে হো চি মিন সিটির অধিনায়কের ক্রস সামাল দিতে গোল ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয় পান্থোইকে। ৫২ মিনিটে সুলঞ্জনা রাউলের ক্রস বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল ঢুকিয়ে দেওয়ার উপক্রম করেছিলেন হো চি মিন সিটির এক ডিফেন্ডার। শেষ পর্যন্ত কর্নার পায় লাল-হলুদ। বলের দখল তখনও বেশিরভাগ সময় ইস্টবেঙ্গলের থাকলেও ৬০ মিনিটে ব্যবধান কমায় ভিয়েতনামের দল। হেডে গোল করেন ডি আহন। গোল খাওয়ার পর থেকেই চাপে পড়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণে লাল-হলুদ রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে হো চি মিন সিটি। ৬৮ মিনিটে সুলঞ্জনা রাউলকে তুলে রিম্পা হালদারকে মাঠে নামান ইস্টবেঙ্গল কোচ।

৭২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ডান দিক থেকে সতীর্থের মাপা ক্রসে হেড ফাজিলার। সজাগ ছিলেন প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক। দু’মিনিট পরেই হ্যাটট্রিকের সুযোগ নষ্ট করেন ফাজিলা। রিম্পা ও অলিভিয়া আনোকিয়ের দুরন্ত বোঝাপড়ায় তৈরি হয়েছিল গোলের সুযোগ। এরপরেও অসংখ্য সুযোগ পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মশাল গার্লস। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল। ৪ নভেম্বর ইস্টবেঙ্গলের সামনে দক্ষিণ কোরিয়ার হুয়াচিওন কেএসপিও ডব্লিউএফসি। ৬ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে খেলতে নামবে ৪.২৫ এসসির বিপক্ষে। ইস্টবেঙ্গলের সামনে প্রথমবার নকআউটে যাওয়ার হাতছানি।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *