Delhi Scholar Hostel Disaster | ভবিষ্যৎ গড়তে এসে ‘নরকবাস’ পড়ুয়াদের! দিল্লির অস্বাস্থ্যকর, বেহাল মেসবাড়িগুলি নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজধানী দিল্লিতে পড়াশোনা করতে আসা ছাত্রছাত্রীদের জীবন কতটা দুর্বিষহ, তা সম্প্রতি সত্য নিকেতনের একটি মেসবাড়ি দুর্ঘটনার পর ফের প্রকাশ্যে এসেছে (Delhi Scholar Hostel Disaster)। সেখানে বাড়ি ধসে সাতজনের মৃত্যু এবং পাঁচজন আহত হওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে (Delhi constructing collapse)। ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের ছয়জন ও সব আহতরাই পড়ুয়া ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরনো রাজিন্দর নগর কিংবা করোলবাগের মতো কোচিং হাবগুলিতেও একই অবস্থা বলে জানা যাচ্ছে। বেশিরভাগ কোচিং সেন্টার বেসমেন্ট ক্লাস বন্ধ রাখলেও পড়ুয়াদের থাকার জায়গাগুলোর নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় (Security Dangers)।

সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গিয়েছে, জরাজীর্ণ বহুতল, দেওয়ালে স্যাঁতসেঁতেভাব এবং বিপজ্জনকভাবে ঝুলে থাকা খোলা বৈদ্যুতিক তার যেকোনও মুহূর্তে বড় অগ্নিকাণ্ডের কারণ হতে পারে। সংকীর্ণ সিঁড়ি, নোংরা শৌচালয়, স্তূপীকৃত জঞ্জাল এসবের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই পড়ুয়ারা। ইঞ্জিনিয়ারিং, নিট এবং ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষার মতো কঠিন লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার বদলে তাঁদের প্রতিদিন বিশুদ্ধ পানীয় জল, স্বাস্থ্যকর খাবার এবং বাড়িওয়ালা ও ব্রোকারদের হেনস্তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় মাসের পর মাস পানীয় জল মেলে না, আর মিললেও তা অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও দূষিত। অথচ বাইরে থেকে বা সরকারি পরিদর্শকরা এসে কেবল প্রধান সড়ক পরীক্ষা করেই নিজেদের দায়িত্ব সারছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন ক্ষুব্ধ পড়ুয়ারা।

এদিকে, সত্য নিকেতনে দুর্ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দেশের ভবিষ্যৎ এই তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষার দায়িত্ব সরকার এড়াতে পারে না। অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ পিজি এবং হস্টেলগুলোর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারিভাবে আরও বেশি হস্টেল নির্মাণের ওপর জোর দিয়েছে আদালত। মেধাবী তরুণ-তরুণীদের এই লড়াই কেবল কেরিয়ার গড়ার নয়, বরং প্রতিদিন যে বেঁচে থাকার এক নির্মম লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *