Delhi Gymkhana Membership | ‘ঐতিহাসিক’ জিমখানা ক্লাবের সমাপ্তি? কেন্দ্রীয় নির্দেশে জমি খালি করতে হবে ৫ জুনের মধ্যে!

Delhi Gymkhana Membership | ‘ঐতিহাসিক’ জিমখানা ক্লাবের সমাপ্তি? কেন্দ্রীয় নির্দেশে জমি খালি করতে হবে ৫ জুনের মধ্যে!

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ লুটিয়েন্স দিল্লির অন্যতম অভিজাত ও ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ‘দিল্লি জিমখানা ক্লাব’ (Delhi Gymkhana Membership)-এর জমি পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (L&DO) পক্ষ থেকে ক্লাব কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ৫ জুনের মধ্যে তাদের ২৭.৩ একরের সম্পূর্ণ চত্বরটি সরকারের হাতে তুলে দিতে হবে।

আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের অধীনে থাকা L&DO-এর ডেপুটি ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসার সুচিত গোয়াল স্বাক্ষরিত ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, এই জমিটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং কৌশলগত এলাকায় অবস্থিত। দেশের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো শক্তিশালী করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এই জমিটি কেন্দ্রের জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজন।

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, “প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজন, প্রশাসনিক পরিকাঠামো এবং জনস্বার্থমূলক প্রকল্পের জন্য এই জমিটি অত্যন্ত জরুরি।” উল্লেখ্য, ক্লাবের এই বিশাল চত্বরটি দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের একেবারে কাছেই অবস্থিত।

১৯১৩ সালে ‘ইম্পেরিয়াল দিল্লি জিমখানা ক্লাব’ হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯২৮ সালে লিজের (perpetual lease) মাধ্যমে এই জমিটি পেয়েছিল। সরকারের নতুন নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ৫ জুনের মধ্যে দখল হস্তান্তর না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জমি খালি হওয়ার পর ওই চত্বরের সমস্ত ভবন, কাঠামো, লন এবং যাবতীয় সরঞ্জাম রাষ্ট্রপতির অধীনে চলে যাবে।

আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি বজায় রাখতে পুলিশকেও এই নির্দেশের প্রতিলিপি দেওয়া হয়েছে। তবে এই বিষয়ে ক্লাব কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক টানাপোড়েন। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে ন্যাশনাল কোম্পানি ল ট্রাইব্যুনাল (NCLT) ক্লাব পরিচালনার ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনার অভিযোগে কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রককে ক্লাবের জেনারেল কমিটিতে নিজস্ব পরিচালক মনোনীত করার অনুমতি দিয়েছিল।

এটি দিল্লির বুকে L&DO-র জমি পুনরুদ্ধারের সাম্প্রতিকতম পদক্ষেপ। মার্চ মাসে ৯, রফি মার্গের ইউনাইটেড নিউজ অফ ইন্ডিয়া (UNI)-র অফিস সিল করা হয়েছিল। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নিকটবর্তী বস্তি এলাকাগুলোতেও নিরাপত্তা জনিত কারণে উচ্ছেদ নোটিস পাঠানো হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, দিল্লির মোট জমির প্রায় ৫.৫% বা প্রায় ২০,০০০ একর জমি L&DO-র অধীনে রয়েছে। লুটিয়েন্স জোন থেকে শুরু করে চাণক্যপুরী, জোরবাগ, গলফ লিংকসের মতো অভিজাত এলাকাগুলো এর আওতায় পড়ে। বর্তমানে প্রায় ১,৪৩০টি প্রাতিষ্ঠানিক সম্পত্তির লিজ দেখাশোনা করে এই সরকারি দপ্তর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *