উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Explosion) আট জনের প্রাণ চলে গিয়েছে। আহত হয়েছেন একাধিক। রাস্তায় ছড়িয়ে রয়েছে দেহাংশ। রাজধানীর বুকে ঘটা এমন বিস্ফোরণে কপালে চিন্তার ভাঁজ তদন্তকারীদের।
ইতিমধ্যে যে গাড়িতে (CAR) বিস্ফোরণ হয়েছে সেই সন্দেহভাজন গাড়িটির রেজিস্ট্রেশন খতিয়ে দেখেছেন তদন্তকারীরা। ওই চারচাকা গাড়িটির নম্বর প্লেট হরিয়ানার। এই গাড়ির মালিকের নাম মহম্মদ সলমন। এখনও তাঁর নামেই রয়েছে রেজিস্ট্রেশন। তাঁকে আটক করেছে পুলিশ (POLICE)।
কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে তদন্তকারীদের তিনি জানিয়েছেন দেড় বছর আগে এই গাড়িটি দক্ষিণ দিল্লির ওখলার বাসিন্দা দেবেন্দ্রকে বিক্রি করে দেন। গাড়ি বিক্রির সমস্ত কাগজপত্র পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন সলমন।
সূত্রের খবর, দেবেন্দ্রর পর এই গাড়িটি হাত বদলে পৌঁছে যায় হরিয়ানার অম্বলার এক বাসিন্দার কাছে। এরপর আবার গাড়িটি কেনেন তারিক। তিনি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা। এরপর আবার তারিক গাড়িটি কাউকে বিক্রি করেছিলেন কী না তা এখনও জানা যায়নি। শনিবার রাতে লালকেল্লা বিস্ফোরণের পর তারিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাড়ির বর্তমান মালিকানার খোঁজ পেতে মরিয়া পুলিশ।
এর আগে সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখে ওই গাড়িটি ফারিদাবাদে বেআইনি পার্কিংয়ের জন্য চালানও হয়েছিল। গোটা ব্যাপারটাই এখনও ধোঁয়াশা। ঠিক কীভাবে ঘটল, কেন ঘটল, কারা করল, কিছুই এখনও স্পষ্ট নয়। এদিন এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘আমাদের অনুমান সম্ভবত কেউ প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। সেটার ফলেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে।’
এদিকে, বিস্ফোরণস্থল থেকে পাওয়া আটটি মৃতদেহের মধ্যে এখনও ছ’জনের পরিচয়ই অজানা। একাধিক দেহাংশ উদ্ধার হওয়ায় পরিচয় নির্ধারণে ফরেনসিক ডিএনএ পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনায় ইউএপিএ-র ১৬ ও ১৮ নম্বর ধারা, বিস্ফোরক পদার্থ আইন-এর ৩ ও ৪ নম্বর ধারা, পাশাপাশি খুন ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ যুক্ত করেছে।
