Delhi Blast | দু’বছর ধরে বিস্ফোরক সংগ্রহ, হামলার ষড়যন্ত্র চলছিল দেশের একাধিক জায়গায়!

Delhi Blast | দু’বছর ধরে বিস্ফোরক সংগ্রহ, হামলার ষড়যন্ত্র চলছিল দেশের একাধিক জায়গায়!

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার দিল্লির লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণে (Delhi Blast) হইচই দেশজুড়ে। ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৮ জন। জখম একাধিক। বিস্ফোরণের নেপথ্যে কি রয়েছে ফরিদাবাদ মডিউল? তদন্তকারীদের একাংশের সন্দেহ, দিল্লি ও ফরিদাবাদের দুই ঘটনার মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফরিদাবাদ (Faridabad Arrest) থেকে গ্রেপ্তার হওয়া চিকিৎসক শাহিন শাহিদকে জেরা করে মিলেছে দুই ঘটনার যোগসূত্রের ইঙ্গিত। তবে কী ভাবে এই যোগসূত্র তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উত্তর প্রদেশের লখনউয়ের (Lucknow) বাসিন্দা শাহিন শাহিদ পেশায় চিকিৎসক। কর্মসূত্রে থাকত ফরিদাবাদে। সেখানকার আল-ফালাহ মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিল সে।

প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে দিল্লির অদূরে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ৩৬০ কেজি আরডিএক্স তৈরির মশলা (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ জানায়, উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়ে মোট ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। এত বিস্ফোরক কোথা থেকে এল? কী পরিকল্পনা ছিল? সেইসব বিষয় এখনও স্পষ্ট না হলেও তদন্তকারীদের একাংশের দাবি, ভারতে কোনও বড়সড়ো নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল! সেই ছক কি কষছিল দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে মূল সন্দেহভাজন উমর উন নবি?

তদন্তের স্বার্থে লালকেল্লা (Purple Fort) এবং তার আশপাশের অনেক জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা। তার মধ্যে একটি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, লালকেল্লার সামনে যে গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, সেই গাড়ি চালাতে দেখা যায় একজনকে। বিভিন্ন সূত্রে দাবি, ওই চালকই উমর। উমরও পেশায় একজন চিকিৎসক। তার সঙ্গে নাকি যোগাযোগ ছিল ধৃত আদিল, মুজাম্মিলদের! জেরায় শাহিন এমনই জানিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সূত্রের। এমনকি শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল উমরের। চারজনের যোগসূত্র গড়ে ওঠে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালকে কেন্দ্র করে! সূত্রে দাবি, শাহিন জেরায় জানিয়েছে, হাসপাতালের কাজ শেষে প্রায়ই উমরের সঙ্গে দেখা হত তার। যখনই দেখা হত উমর নাকি ‘দেশে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানোর’ কথা বলতেন। গত দু’বছর ধরে নাকি বিস্ফোরক সংগ্রহের কাজ চলছিল।

ফরিদাবাদ মডিউল সোমবার প্রকাশ্যে এলেও তার জাল বোনা হয়েছিল অনেকদিন আগে। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১৯ অক্টোবর। ওই দিন শ্রীনগরে জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদের সমর্থনে পোস্টার সাঁটার অভিযোগে চিকিৎসক আদিলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাকে জেরা করে উঠে আসে নানা তথ্য। তার মধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, আদিলকে জেরা করে উঠে আসে মুজাম্মিলের নাম। তদন্তকারীদের এক সূত্রের দাবি, আদিল, মুজাম্মিল এবং শাহিনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন উমর। সূত্রের খবর, শাহিনকে জেরা করে উঠে এসেছে পারভেজ সইদের নাম। সম্পর্কে দু’জন ভাইবোন। দাবি করা হচ্ছে, পারভেজের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল আদিল, মুজাম্মিলের। পুরো বিষয়ের তদন্ত চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *