Delhi | ক্রাইম সিরিজ দেখে লিভ ইন পার্টনারকে খুন! তরুণীর বুদ্ধিমত্তায় মাথায় হাত পুলিশের

Delhi | ক্রাইম সিরিজ দেখে লিভ ইন পার্টনারকে খুন! তরুণীর বুদ্ধিমত্তায় মাথায় হাত পুলিশের

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: তরুণী বিএসসি ফরেন্সিক সায়েন্সের ছাত্রী। ক্রাইম সিরিজের ভীষণ ভক্ত। এই দুই বিষয়কে হাতিয়ার করে লিভ ইন পার্টনারকে ঘি-মদ ঢেলে দেহ পুড়িয়ে চম্পট দিল বছর একুশের প্রেমিকা! যদিও প্রাথমিকভাবে গোটা বিষয়টি দেখলে মনে হবে, হয়তো আগুন লেগেই মৃত্যু হয়েছে প্রেমিকের। কিন্তু পুলিশি তদন্তে সামনে এল ভয়ংকর তথ্য। যা দেখে চমকে উঠেছে গোটা দেশ।

চলতি বছর মে মাসে মোরাদাবাদের ২১ বছরের তরুণী অমৃতা চৌহ্বানের সঙ্গে আলাপ হয় রামকেশ মিনার। শুরু থেকেই তারা লিভ ইন সম্পর্কে থাকতে শুরু করেন। অমৃতা বিএসসি ফরেন্সিক সায়েন্সের ছাত্রী ছিলেন। আর তার প্রেমিক সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সবটা ঠিকই চলছিল। আচমকাই রামকেশের মোবাইলে থাকা দুজনের বেশকিছু গোপন ভিডিও অমৃতার নজরে আসে। ওই ভিডিওগুলি বহুবার সে ডিলিট করার কথা বলেছিল। কিন্তু রামকেশ ভিডিওগুলি ডিলিট করতে চাননি। অবশেষে গোটা ঘটনা থেকে মুক্তি পেতে খুনের ছক কষে অমৃতা। সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবরূপ দিতে অমৃতার প্রয়োজন ছিল আরও কয়েকজনকে। তাই অমৃতা যোগাযোগ করে প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে। তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক ছিলেন এলপিজি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর। পাশাপাশি সহযোগিতা নেন সন্দীপ নামের এক বন্ধুর। এরপর তিনে মিলে মাস্টারপ্ল্যান করে। খুনকে দুর্ঘটনার নাম দিতে সবটা খুব ভালোভাবে সাজিয়েও শেষ রক্ষা হল না।

ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ৫ অক্টোবর রাতে মোট তিনজন দিল্লির গান্ধি বিহারের ওই ফ্ল্যাটে ঢোকেন। এরপর রামকেশকে গলায় কিছু পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে শরীরে তেল, ঘি ও অ্যালকোহল ঢেলে আগুন ধরানো হয়। এরপর গ্যাস সিলিন্ডারের রেগুলেটর খুলে লাইটার জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পরই বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ দেহ পুড়ে যায়। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, আগুন লাগার ঘটনায় ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। কিন্তু রামকেশের পরিবার আগুনে পুড়ে মৃত্যুর বিষয়টি মানতে নাজার ছিলেন। তাই জোরদারভাবে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরবর্তীতে শুরু হতেই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চমকে যায় পুলিশ। দেখা যায়, আগুন লাগার আগে তিনজন ফ্ল্যাটে ঢুকেছে এবং এক মহিলা কিছুক্ষণের মধ্যে বেরিয়ে যাচ্ছেন। সেই মহিলাকে শনাক্ত করে পুলিশ জানতে পারে, তিনি মৃতের লিভ-ইন পার্টনার অমৃতা।

ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে অমৃতাকে। পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে খুনে ঘটনায় মদতকারী তার দুই সঙ্গীকেও। এছাড়াও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তদন্তে ব্যবহৃত অশ্লীল ভিডিও সম্বলিত হার্ড ডিস্ক, একটি ট্রলি ব্যাগ, মৃতের জামা, এবং অপরাধের সময় ব্যবহৃত একাধিক মোবাইল ফোন। যদিও পুলিশের কাছে জেরায় সব স্বীকার করেছে অমৃতা। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার খুন, ষড়যন্ত্র, চুরি ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *