Darjeeling | দার্জিলিং জমজমাট, হাউসফুল টয়ট্রেনও

Darjeeling | দার্জিলিং জমজমাট, হাউসফুল টয়ট্রেনও

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


রাহুল মজুমদার, দার্জিলিং: গত কয়েকদিন ধরেই ঝলমলে রোদ উঠছে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling)। কেউ গায়ে হালকা শীতের জামা চাপিয়ে ফুরফুরে মেজাজে ম্যালে হেঁটে বেড়াচ্ছেন। কেউবা মুহূর্তকে ক্যামেরাবিন্দ করতে ব্যস্ত। অনেকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসে চারদিকে। ঘুমন্ত বুদ্ধের সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে শৈলশহরের অধিকাংশ হোটেলে ঠাঁই নাই পরিস্থিতি। অথচ এ মাসেরই শুরুতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পর্যটনশিল্পের শিয়রে শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। বুকিং বাতিলের হিড়িক পড়ে যায়। বর্তমান ছবি কিন্তু একেবারে অন্যরকম। আবহাওয়া বদলাতেই ফের পর্যটকদের ঢল নামতে শুরু করেছে পাহাড়ে। দার্জিলিং পুরসভাকে রাস্তা মেরামতির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো সংস্কার শুরু করেছে প্রশাসন।

দীপাবলির ছুটিতে হাউসফুল টয়ট্রেনও। এনজেপি-দার্জিলিং সহ সমস্ত রুটের জয়রাইডের টিকিট অনলাইনে প্রায় ৯৫ শতাংশ বিক্রি হয়ে গিয়েছে, জানা গেল দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (ডিএইচআর) সূত্রে। বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে এনজেপি-রংটং জয়রাইডের। ডিএইচআর-এর ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরীর দাবি, ‘দীপাবলির মরশুমে টয়ট্রেনের চাহিদা রয়েছে। প্রায় সব ট্রেনেরই টিকিট আগাম বুক হয়েছে। প্রয়োজনে আরও জয়রাইড চালু করা যেতে পারে।’

৪ অক্টোবর রাতে প্রবল বর্ষণের জেরে বিপর্যয় নেমে আসে উত্তরে। ধস নেমে একাধিক পাহাড়ি এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে যায়। বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। দুধিয়ার সেতু ভেঙে মিরিকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মিরিকে ধসের জেরে পরপর বাড়ি ভেঙেছে। রোহিণী রোড ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে এখনও যান চলাচল বন্ধ। ১১০ (সাবেক ৫৫) নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ক্ষতির কারণে রাস্তাটি বন্ধ হয় পড়েছিল। আতঙ্কে পাহাড় থেকে দলে দলে নামতে শুরু করেন পর্যটকরা। একাধিক জায়গা থেকে পর্যটকদের উদ্ধার করে প্রশাসন। দিনদশেকের জন্য পাহাড়ের পর্যটন ব্যবসায় বিরাট ধাক্কা লাগে।

তবে হাওয়া বদলাতেই তড়িঘড়ি পাঙ্খাবাড়ি রোড আর ১১০ নম্বর জাতীয় সড়ক, দার্জিলিং যাওয়ার এই দুটি বিকল্প রাস্তা খুলে দেয় প্রশাসন। হিউমপাইপ বসিয়ে দুধিয়ায় অস্থায়ী সেতুর নির্মাণ শুরু হয়েছে। সেটা তৈরি হয়ে গেলে ছোট গাড়ি সরাসরি মিরিকের দিকে যেতে পারবে। কার্সিয়াং পার করে খানিকটা ওপরে উঠলে প্রায় রোজ শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘার দর্শন মিলছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ফোটো, ভিডিও ভাইরাল। পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। ম্যাল থেকে চিড়িয়াখানা, সর্বত্র কমবেশি ভিড়। দেশের বিভিন্ন রাজ্য তো বটেই, বিদেশিরাও আসছেন।আমেরিকা থেকে সস্ত্রীক দার্জিলিংয়ে এসেছেন মাইকেল। সিঙ্গনীর হাত ধরে ঘুরছিলেন ম্যালে। তারপর টয়ট্রেনে জয়রাইড নেওয়ার কথা তাঁদের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *