উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: আধুনিক কারাগারের নিরাপত্তা (Safety) ব্যবস্থায় এক অভূতপূর্ব ও বিতর্কিত মোড় নিয়েছে ইজরায়েল। প্যালেস্টাইনি বন্দিদের পলায়ন রোধে কারাগারের চারপাশে পরিখা খনন করে সেখানে মানুষখেকো ‘নাইল ক্রোকোডাইল’ বা নীলনদের কুমির মোতায়েন করার (Crocodile Prisons) পরিকল্পনার দিকে আরও এক ধাপ এগিয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার।
সম্প্রতি ইজরায়েলের পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক মন্ত্রী ইদিত সিলমান জানিয়েছেন, নীলনদের কুমিরকে ‘সুরক্ষিত বন্যপ্রাণী’র তালিকা থেকে সরিয়ে নতুন শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই রদবদলের ফলে এখন থেকে নিরাপত্তা সংস্থা বা কারা কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট শর্তে এই ভয়ংকর সরীসৃপ পুষতে পারবে।
ইজরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গাভিরের দীর্ঘদিনের এই বিতর্কিত প্রস্তাবটি মূলত কারাগারের বন্দিদের পলায়ন প্রবণতা ঠেকাতে আনা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এই সিদ্ধান্তটি ইজরায়েলের অন্দরে এবং আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অনেক মানবাধিকার (Human Rights) কর্মী এই পদক্ষেপকে মানবতার পরিপন্থী বলেও আখ্যা দিয়েছেন।
বেন-গাভির এবং সিলমানের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন চরমপন্থী মতাদর্শের অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, কুমিরের মতো বন্যপ্রাণী ব্যবহার করে কারাগারের নিরাপত্তা বাড়ানোর এমন ঘটনা আধুনিক বিশ্বে প্রায় বিরল। ইজরায়েলের এই বিতর্কিত পদক্ষেপ আগামী দিনে আন্তর্জাতিক মহলে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

