Cooch Behar Royal Household | ইতিহাসের বিকৃতি রোখার আর্জি, মন্ত্রীর কাছে রাজ পরিবারের অনুগামীরা

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


শিলিগুড়ি: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে নগেন্দ্র রায়ের (অনন্ত মহারাজ) বিতর্কিত মন্তব্যের জল গড়িয়েছিল অনেক দূর। সম্প্রতি নেতাজির মৃত্যু, ‘নারায়ণী সেনা’র ভূমিকা এবং নেতাজিকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ আখ্যা দিয়ে যে বিতর্ক তৈরি করেছেন নগেন্দ্র, তার তীব্র বিরোধিতায় নিন্দার ঝড় ওঠে। তার জেরে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষমা চাইতে হয়েছে নগেন্দ্রকে। এবার নগেন্দ্রর বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই বলে জানালেন কোচবিহার রাজপরিবারের কয়েকজন সদস্য (Cooch Behar Royal Household)। দ্য কোচবিহার রয়েল সাকসেসরস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের তরফে কুমার মৃদুল নারায়ণ, কুমার চন্দ্র নারায়ণ, কুমার বিজেন্দ্র নারায়ণ এবং কুমার জিতেন্দ্র নারায়ণ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ‘নগেন্দ্রর এই ধরনের মন্তব্যের সঙ্গে ঐতিহাসিক বাস্তবের বিস্তর ফারাক রয়েছে। এটি সম্পূর্ণভাবে তাঁর ব্যক্তিগত মতামত, যার সঙ্গে কোচবিহারের ইতিহাস বা রাজপরিবারের কোনও সম্পর্ক নেই।’

রবিবার রাজ্যের অর্থ ও পরিবহণ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মনের সঙ্গে এক বৈঠক করেন রাজপরিবারের কয়েকজন সদস্য। সেখানেই আলোচনায় নগেন্দ্রর এই ধরনের মন্তব্য নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন তাঁরা।

মৃদুল নারায়ণের বক্তব্য, ‘ওটা ওঁর (নগেন্দ্রর) ব্যক্তিগত মত, কারও ব্যক্তিগত মতের সঙ্গে আমরা একমত নই। কোচবিহারের মহারাজা সম্পর্কে উনি যা বলেছেন, এরকম ঘটনা কখনও ঘটেনি। আমরা অবগত নই। ওঁর বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবের বিস্তর ফারাক রয়েছে।’

কোচবিহার ও রাজবংশী সমাজের প্রকৃত ইতিহাস যাতে বিকৃত না হয়, সে বিষয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন রাজপরিবারের সদস্যরা। রাজবংশী সমাজ ও কোচবিহারের সঠিক ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস যাতে রাজ্যের নতুন প্রজন্ম পাঠ্যসূচির মাধ্যমে সঠিকভাবে শিখতে পারে, সেই ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানানো হয়। তবে কোচবিহারের ইতিহাস সিলেবাসে অন্তর্ভুক্তির দাবি নগেন্দ্রর তরফেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের জানানো হয়েছিল। কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ড ও রাজবাড়ির ঐতিহ্য রক্ষায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তোলেন রাজপরিবারের প্রতিনিধিরা। এই ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বর্তমানে কোচবিহারের জেলা শাসক।

আনন্দময় বর্মন রাজপরিবারের সদস্যদের সব অভাব-অভিযোগ ও দাবি গুরুত্ব সহকারে শোনেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, সমস্ত বিষয় ও ইতিহাস সংরক্ষণের সংবেদনশীল দিকটি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নজরে আনবেন। আনন্দময় বলেছেন, ‘কোনও একজনের মন্তব্যের দায় গোটা রাজবংশী সমাজের হতে পারে না। প্রত্যেকের ইতিহাস জানবার অধিকার রয়েছে। বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *