গৌরহরি দাস, কোচবিহার: রবিবার কোচবিহার বিমানবন্দর (Cooch Behar Airport) ঘুরে গেলেন বায়ুসেনার পদস্থ আধিকারিক ও কর্মীরা। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কিংবা বায়ুসেনার বিশেষ প্রয়োজনে হাসিমারার পাশাপাশি সহযোগী হিসাবে কোচবিহার বিমানবন্দরকে কীভাবে ব্যবহার করা যায়, কিংবা আদৌ ব্যবহার করা যাবে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন তাঁরা।
এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার কোচবিহার বিমানবন্দরের আধিকারিক শুভাশিস পাল বলেন, ‘তাদের বিভিন্ন সরঞ্জাম আনা সহ বিশেষ প্রয়োজনে বায়ুসেনা কীভাবে এই বিমানবন্দরকে ব্যবহার করতে ও কাজে লাগাতে পারে সেইসব বিষয় খতিয়ে দেখতে বায়ুসেনার বিশেষ দল এদিন কোচবিহার বিমানবন্দরে এসেছিল। বিমানবন্দরের পরিকাঠামো ও ব্যবস্থাপনা দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছে।’
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর নাগাদ বায়ুসেনার একটি বিশেষ বিমান আসে কোচবিহার বিমানবন্দরে। গুয়াহাটি থেকে সেই বিমানটি এসেছিল। সেই বিমানে কয়েকজন কর্মী ছিলেন। এছাড়া হাসিমারা থেকে বায়ুসেনার পদস্থ আধিকারিক ও কর্মীদের ১২-১৩ জনের একটি দলও এসেছিল বিমানবন্দরে। ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্ব ভারতজুড়ে সেনাবাহিনীর একাধিক মহড়া হচ্ছে। এদিন ওই প্রতিনিধিদল এসে বিমানবন্দর ঘুরে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথাও বলে। কোচবিহার বিমানবন্দরের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে বিশেষ ওই বিমানের সামনে বায়ুসেনার কর্মী-আধিকারিকরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। হঠাৎ করে কোচবিহার বিমানবন্দরে বায়ুসেনার এত কর্মী-আধিকারিক সহ বিমানের ছবি দেখে জেলাজুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
কোচবিহার বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বায়ুসেনার তরফে তাদের থেকে বিভিন্ন তথ্য নেওয়া হচ্ছিল। অবশেষে কোচবিহারে এই প্রথম বায়ুসেনার ওই বিমান সহ বিশেষ দল বিমানবন্দর পরিদর্শনে আসে। তাঁরা সমস্ত পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন। আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কীভাবে কোচবিহার বিমানবন্দরকে ব্যবহার করা যেতে পারে সে সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের আলোচনা হয়েছে। কী ধরনের বিমান এখান থেকে চালানো যেতে পারে, কোন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র কিংবা বায়ুসেনার সরঞ্জাম এখানে আনা যেতে পারে, বায়ুসেনার সরঞ্জাম আনার জন্য এখানে কী ধরনের হেলিকপ্টার নামানো যেতে পারে, এছাড়া এখানে আরও কী কী সুবিধা রয়েছে, সেই সমস্ত বিষয় তাঁরা খতিয়ে দেখেছেন।
