Suvendu Adhikari | ‘এমন কিছু করবেন না যাতে…’, বীরভূমে দাঁড়িয়ে কেষ্ট–কাজলকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari | ‘এমন কিছু করবেন না যাতে…’, বীরভূমে দাঁড়িয়ে কেষ্ট–কাজলকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

শিক্ষা
Spread the love


আশিস মণ্ডল, বোলপুর: ‘এমন কিছু করবেন না, যাতে আমাকে দু’দিনের মধ্যে পুনরায় বীরভূমে (Birbhum) আসতে হয়। বড় বড় মস্তানদের সঙ্গে আমি লড়াই করেছি। আপনারা তাদের তুলনায় কিছু না।’ মঙ্গলবার বীরভূমের কীর্ণাহারে দাঁড়িয়ে কেষ্ট-কাজলকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ‘এক ভারত আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যে ‘একতা যাত্রা’য় যোগ দিতে এদিন বীরভূমের কীর্ণাহারে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ সুমিত্রা বাল্মীকি। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, বীরভূম ও বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা এবং শ্যামাপদ মণ্ডল। প্রথমেই কীর্ণাহার শহরে একটি শোভাযাত্রায় পা মেলান শুভেন্দু। কীর্ণাহার ২ অঞ্চল অতিক্রম করার সময় তৃণমূলের কার্যালয় থেকে ‘জয় বাংলা’ এবং ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। যদিও সেদিকে কর্ণপাত করেননি শুভেন্দু।

শোভাযাত্রা শেষে কীর্ণাহার বাস স্ট্যান্ডে কার্যকর্তাদের নিয়ে একটি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে শুভেন্দু বলেন, ‘বীরভূম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জেলা, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্মভূমি। সেই জেলায় চলছে ‘লুটশ্রী’ প্রকল্প। বীরভূম জেলার প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি। ৭২ লক্ষ শৌচালয় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু গ্রামগঞ্জের মানুষ পাননি। বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের জন্য প্রধানমন্ত্রী কোটি কোটি টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এখানে নল আছে, জল নেই। উত্তরপ্রদেশ ঠান্ডা হয়ে গিয়েছে। বিহার জঙ্গল রাজ খতম। সমোসা মে আলু বিহারের লালু। এই প্রবাদ ধ্বংস হয়েছে। এবার বাংলা। এখানে কেষ্ট, কাজল বড় মস্তান? নন্দীগ্রামে বড় বড় মস্তানের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে হারিয়েছি। এরা কিছুই না।’

এরপরই নাম করে কেষ্ট–কাজলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘গুন্ডাদের বলে গেলাম এমন কিছু করবেন না যাতে দু’দিনের মধ্যে আমাকে ফের এখানে আসতে হয়। আমাকে আটকাতে পারবেন না। মঙ্গলকোটে ডাবলু আনসারিকে চ্যালেঞ্জ করেছি। আপনারা কিছুই না। আমি নানুরের দায়িত্বে আছি। দেখা হবে কাজল এবং তাঁর দাদা সাহানেওয়াজের সঙ্গে। সব থেকে বেশি যেখানে ঝামেলা হবে সেখানেই আমি পোঁছে যাব।’ নন্দীগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নন্দীগ্রাম না করলে আপনাদের দিদি, দিদি থেকে দিদিমা হতেন না। সেই নন্দীগ্রামে আমি ওঁনাকে হারিয়েছি। এবার ভবানীপুরেও হারাব। আমাকে আটকাতে পারবেন না।’

কর্মী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘এখন বাংলার পালা। বিহারের শিক্ষিত জাতীয়তাবাদী মুসলিমরাও মোদিজিকে সমর্থন করতে এগিয়ে এসেছেন। তাই বাংলায় আওয়াজ তুলুন, মমতাকে ভোট না দেওয়ার। এখন ঐক্যবদ্ধ হওয়ার এবং তৃণমূলকে তাড়ানোর সময়।’ এসআইআর প্রসঙ্গে বিজেপি নেতার বক্তব্য, ‘এসআইআর-এ ভারতীয় মুসলিমদের চিন্তার কিছু নেই। তাঁরা আমাদের ভোট না দিলেও, আমরা চাই তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত হোক, কারণ তাঁরা ভারতীয়। কিন্তু বাংলাদেশি রোহিঙ্গা মুসলিমদের বাদ দেওয়া হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *