Cooch Behar | মেডিকেলে আবর্জনা! হিপ্পি দুষছেন আধিকারিকদের

Cooch Behar | মেডিকেলে আবর্জনা! হিপ্পি দুষছেন আধিকারিকদের

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


কোচবিহার: কোনওভাবেই আবর্জনামুক্ত করা যাচ্ছে না কোচবিহার এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চত্বরকে। আর এজন্য ওই হাসপাতালেরই কিছু আধিকারিককে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন রোগীকল্যাণ সমিতির সদস্য তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক (হিপ্পি)।

হাসপাতালের গেটে পা রাখতেই যেখানে-সেখানে আবর্জনা যে কোনও মানুষের চোখে পড়তে বাধ্য। জরুরি বিভাগে না ঢুকে বাঁদিক দিয়ে যদি যাওয়া যায় তাহলে দেখা যাবে সেখানে নানা ধরনের খাবার, প্লাস্টিকের প্যাকেট থেকে শুরু করে জলের বোতল, চায়ের কাপ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। আর সেখান থেকে আসছে খাবারের পচা গন্ধ। অনেককেই দেখা গেল নাকে রুমাল চাপা দিয়ে ওই রাস্তাটুকু পার হতে। এক রোগীর আত্মীয় সরকারি কর্মচারী রণজিৎ চক্রবর্তী বললেন, বৃষ্টি হওয়ার জন্য আজ দুর্গন্ধে থাকা আরও মুশকিল হয়ে পড়েছে।
গোটা হাসপাতাল চত্বরজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় আবর্জনার ঢিপি। গাছের পাতা ঝরে সেই পাতা পচে গিয়েছে। কোনওদিন ভেতরে ঝাঁটা পড়ে কি না সন্দেহ। রোগীর আত্মীয়দের বসার জায়গা এতটাই অপরিষ্কার যে কোনও সুস্থ মানুষ সেখানে অসুস্থ হতে বাধ্য। গেটের ডানদিকে বসার জায়গারও একই অবস্থা। অন্যদিকে, জলের পাইপ ফুটো হয়ে অনবরত সেখান দিয়ে জল পড়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় জমে আছে ভাঙা চেয়ার, বিছানা থেকে শুরু করে বাতিল হয়ে যাওয়া নানা মেশিনের যন্ত্রাংশ।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে অভিজিতের বক্তব্য, ‘বহুদিন হয়ে গেল এইসব জিনিসগুলো অকশন করার কথা বলা হয়েছে। অকশন না হওয়ার জন্যই আবর্জনামুক্ত করা যাচ্ছে না হাসপাতাল চত্বরকে। কিছু আধিকারিকের গাফিলতিতেই পরিষ্কার করা যাচ্ছে না মেডিকেল কলেজ চত্বর।’ কার গাফিলতিতে এই দেরি হচ্ছে তা জানার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলবেন, প্রয়োজনে স্বাস্থ্যসচিবের সঙ্গে এই বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানালেন তিনি।

এমজেএন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল এককথায় হাসপাতাল চত্বরের অপরিচ্ছন্নতার বিষয়টি স্বীকার করে নিলেন। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি জানি পরিছন্নতার অসুবিধে আছে। এছাড়া বায়োমেডিকেল ওয়েস্ট নিয়মে কিছু সমস্যা আছে। খুব শিগগিরই অভিজিৎ দে ভৌমিককে সঙ্গে নিয়ে আমরা এই সমস্যার সমাধান করব।’ এছাড়াও এখন থেকে প্রতি শনিবার দশজন করে সাফাইকর্মী গোটা হাসপাতাল চত্বর নিয়ম করে যাতে পরিষ্কার করেন, সেইমতো একটা নির্দেশ দেওয়া হবে বলেও জানান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *