Cooch Behar | বিজেপির বিপুল জয়ে ভোল বদল! মূল স্রোতে ফেরার চেষ্টায় ‘বিক্ষুব্ধরা’

Cooch Behar | বিজেপির বিপুল জয়ে ভোল বদল! মূল স্রোতে ফেরার চেষ্টায় ‘বিক্ষুব্ধরা’

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


কোচবিহার: ‘আমি বিজেপিতেই ছিলাম, আছি এবং থাকবও।’ রাজ্যে বিপুল আসনে জয়ের পর দল থেকে নিজের দূরত্ব ঘোচাতে এমনই বক্তব্য শোনা গেল দিনহাটার বিজেপি নেতা অশোক মণ্ডলের গলায়। অশোক দিনহাটায় গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। তবে পরবর্তীতে তাঁকে সেভাবে দলের মূল স্রোতে দেখা যায়নি। অনেক বিক্ষুব্ধ নেতারই দল থেকে দূরত্ব বেড়েছিল বলে খবর। তবে বিজেপি যে দুশোরও বেশি আসন নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে, তা আগে থেকে আন্দাজ করতে পারেননি তাঁদের অনেকেই। কোচবিহার জেলার বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতাদের যাঁরা নির্বাচনের আগে দল থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে এখন আফসোসের ছায়া। তবে শুধু আফসোস না করে তাঁদের অনেকে আবার মূল স্রোতে মেশার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন।

অশোকের কথাতেই তা স্পষ্ট। তাঁর বক্তব্য, ‘নির্বাচনের আগে আমি কিছুদিন বিদেশে ছিলাম। তবে এখানকার প্রার্থী অজয় রায়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। বিভিন্ন পরামর্শও দিয়েছি।’

এবারের নির্বাচনি প্রচারে সেভাবে দেখা যায়নি নাটাবাড়ির বিদায়ি বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে। অবশ্য বুধবার দলের জেলা কার্যালয়ের বৈঠকে সামনের সারিতেই দীর্ঘদিন বাদে তাঁকে দেখা যায়। এ নিয়ে মিহির বলছেন, ‘আমি ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করি না। আমি মোটরবাইকে চলি। নির্বাচনের আগে সেভাবেই প্রচার করেছি। তাই হয়তো অনেকের নজরে পড়েনি। তবে আমি প্রচারে ছিলাম। এখনও আছি।’ যদিও মিহিরবাবু এই দাবি করলেও রাজনৈতিক মহলের দাবি, নির্বাচনে প্রচার থেকে কার্যত উধাও ছিলেন তিনি।

বিজেপি এতদিন জেলাতে মূল বিরোধী দল হিসেবে থাকলেও তাদের সাংগঠনিক শক্তি ও নেতৃত্বের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের চোরাস্রোত বইছিল। যার জেরে একসময় বিজেপির হয়ে কাজ করলেও পরবর্তীতে অনেক নেতাকেই দল থেকে দূরে থাকতে দেখা গিয়েছে। তবে গতবছর দলের জেলা সভাপতি হওয়ার পরই অভিজিৎ বর্মন প্রথমেই ঘোষণা করেছিলেন, ‘দলের অন্দরে কোনও বিভেদ না রেখে সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলা হবে।’ এরপর একটি বিজয়া সম্মিলনিতে প্রত্যেককে একসঙ্গে দেখাও যায়। কিন্তু পরবর্তীতে ছবি খুব একটা বদলায়নি।

বর্তমানে জেলার আমন্ত্রিত সদস্য তথা প্রাক্তন জেলা সম্পাদক কোচবিহার শহরের বাসিন্দা রাজু রায় দল থেকে অনেকটাই দূরে থেকেছেন। একসময় তাঁকে নিয়মিত জেলা কার্যালয়ে দেখা গেলেও এখন খুব একটা দেখা যায় না। দিনহাটার দীপ্তিমান সেনগুপ্ত ছিটমহল আন্দোলনের অন্যতম মুখ। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁকে একেবারে সামনে থেকে পদ্ম শিবিরের কাজ করতে দেখা গিয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন তিনি দল থেকে দূরেই। এখন বিজেপির সেই নেতারা দলের মূল স্রোতে ফিরবেন কি না, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বিরাজ বসুর বক্তব্য, ‘প্রত্যেকেই বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন। বিজেপির হয়েই কাজ করছেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *