Cooch Behar | প্রতিমা-মণ্ডপে শহরতলির তিন ক্লাবে জোর টক্কর

Cooch Behar | প্রতিমা-মণ্ডপে শহরতলির তিন ক্লাবে জোর টক্কর

শিক্ষা
Spread the love


কোচবিহার: ‘পুজোর লড়াই’ আর বড় ক্লাবের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। এই লড়াই ছড়িয়ে পড়েছে শহরতলির পুজোগুলির মধ্যেও। থিম-প্রতিমা, মণ্ডপ, আলোকসজ্জায় টক্কর সেয়ানে সেয়ানে। এজন্য কেউ স্থানীয় শিল্পীদের দিয়ে তৈরি করছেন প্রতিমা, কেউ বাইরের শিল্পীদের মণ্ডপসজ্জা কিংবা আলোকসজ্জার কাজে নিয়ে এসেছেন। হাতে আর মাত্র দু’দিন সময় থাকায় এখন শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে মণ্ডপগুলিতে। দর্শক টানতে কোনও কসুরই বাকি রাখছেন না পুজো উদ্যোক্তারা।

শহরতলিতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে খাগড়াবাড়ি সর্বজনীন দুর্গাপুজা কমিটি, উত্তর খাগড়াবাড়ির তরুণ সংঘ, ডোডেয়ারহাট নবশক্তি ক্লাব-এর মধ্যে। তিনটি ক্লাবে থিমপুজো হচ্ছে। সাবেকি প্রতিমার সঙ্গে থাকবে নজরকাড়া আলোকসজ্জা।

উত্তর খাগড়াবাড়ির তরুণ সংঘের পুজোর এবার ২৫ বছর। দর্শনার্থীদের মধ্যে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে তাদের থিম ‘এই সুন্দর পৃথিবী হোক শান্তিময়।’ ক্লাবের স্থায়ী মন্দিরে বাঁশ, কাঠ, কাপড়, গাছের ডাল, বাঁশ সহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি করা মণ্ডপসজ্জার কাজ শেষ পর্যায়ে। বাজেট ১২ লক্ষ টাকা। শহরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীদের দিয়ে তৈরি সাবেকি প্রতিমার পাশাপাশি থাকবে চন্দননগরের আলোকসজ্জা। পুজোকে কেন্দ্র করে চতুর্থীর সকালে শোভাযাত্রা করবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ক্লাবের সভাপতি গৌতম পণ্ডিত বলেন, আমাদের পুজো সকলের নজর কাড়বে। পুজোকে কেন্দ্র করে বৃক্ষরোপণ, বস্ত্রদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ বিভিন্ন সামাজিক কাজকর্ম হচ্ছে।

অপরদিকে, ডোডেয়ারহাট নবশক্তি ক্লাব চত্বরে গেলে মনে হবে এক আদিবাসী এলাকায় এসে পৌঁছেছেন দর্শনার্থীরা। কাল্পনিক মন্দিরের আদলে বাঁশ, কাঠ, তুলো, ফোম, কাপড় ছাড়াও নানা ধরনের পুতুল এবং হাতে আঁকা ছবি দিয়ে মণ্ডপসজ্জার কাজ চলছে। মণ্ডপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে থাকবে দুর্গা প্রতিমা। স্থায়ী মন্দিরে থাকবে ডাকের সাজের অপর একটি প্রতিমাও। দর্শনার্থীদের নজর কাড়তে রাস্তাজুড়ে থাকবে চন্দননগরের আলোকসজ্জা। এবার তাদের পুজোর ৮০ বছর। তাদের থিম ‘আদিবাসী মায়ের কোলে।’ আলিপুরদুয়ারের শিল্পীরা তাদের মণ্ডপসজ্জার কাজ করছেন। উদ্যোক্তাদের পক্ষে সুকান্ত দে সরকার বলেন, ‘এবছর বাজেট ১১ লক্ষ টাকা। পুজোর পাশাপাশি প্রতিবারের মতো বৃক্ষরোপণ, বস্ত্র বিতরণ হয়েছে।’

অপরদিকে, খাগড়াবাড়ি এলাকার তিনটি ক্লাব একত্রিত হয়ে খাগড়াবাড়ি সর্বজনীন দুর্গাপুজো কমিটির তরফে এবার ৬৯তম বর্ষে পুজোর আয়োজন করছে। প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। সেই মণ্ডপে কোচবিহারের মহারাজা এবং রানিদের জীবনপঞ্জি এবং ইতিহাস সম্পর্কিত নানা তথ্য পাবেন দর্শনার্থীরা। এছাড়াও পুতুলঘরের আদলে ক্লাবের মাঠে থিমসজ্জার কাজ চলছে। থিম ‘আমার কোচবিহার’। বছরভর  রক্তদান শিবির, বস্ত্রদান সহ নানা কর্মসূচি করে পুজো কমিটি। এছাড়া নবমীর দিন পাড়ার সকলে মিলে পংক্তিভোজনের আয়োজন থাকে বলে জানিয়েছেন পুজো কমিটির সম্পাদক প্রদীপ দত্ত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *