কোচবিহার: কোনও ধ্বজায় আঁকা রয়েছে হনুমানজির ছবি। কোনওটিতে রামের কিংবা মহাদেবের। দোকানে মিলছে গেরুয়া পাঞ্জাবি, কুর্তা এমনকি টি-শার্টও। রামনবমীকে কেন্দ্র করে বাজারের দোকান- এই সব জিনিসে সেজে উঠেছে। আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরেই রামনবমী উপলক্ষ্যে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বের হবে সুসজ্জিত শোভাযাত্রা। তাই বাজারে গিয়ে কেউ খোঁজ করছেন গেরুয়া রংয়ের পাঞ্জাবি, কেউ আবার জয় শ্রীরাম লেখা টি-শার্ট। রামনবমীর এখন আলাদা জায়গা করে নিয়েছে এই ড্রেস কোড। চাহিদার কথা মাথায় রেখে বস্ত্র ব্যবসায়ীরা ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের জন্যও কুর্তি এবং গেঞ্জি দোকানে তুলেছেন। দোকানে ক্রেতাদের সমাগমে খুশি বিক্রেতারাও।
ভবানীগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন দোকানে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন আকারের এবং বিভিন্ন ধরনের ধ্বজা। আকার অনুযায়ী মিলছে বেশি দামের ধ্বজাও। বাড়তি উপার্জনের আশায় ফুটপাথেও বিক্রি হচ্ছে নানা ধরনের ধ্বজা। বাজারে দোকান রয়েছে ব্যবসায়ী সুকুমার চন্দ্র দে-র। ধ্বজা থেকে শুরু করে উত্তরীয়, মাথার পাগড়ি থেকে শুরু করে ফেট্টি সবই পাওয়া যাচ্ছে তাঁর দোকানে। তিনি জানালেন, ‘১৫ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের ধ্বজা এবং অন্যান্য জিনিসপত্র দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।’
এদিন বাজারে পাঞ্জাবি কিনছিলেন তরুণ অভ্রজ্যোতি রায়। পাঞ্জাবি কেনার ফাঁকেই তিনি বললেন, ‘গত কয়েক বছর ধরে রামনবমীর শোভাযাত্রায় হাঁটছি। তাই বাজারে বড় ধরনের ধ্বজা নিতে এসেছিলাম।’ এদিন বাজার ঘুরে দেখা গেল, কুর্তা এবং পাঞ্জাবি ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকায়, উত্তরীয় ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকায়, পাগড়ি ৪০-৭০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ী দুলু ঘোষের কথা, ‘বছর দুয়েক ধরে রামনবমীর সময় ধ্বজা, পাগড়ির বিক্রি ভালো হয়। গত দু’দিন ধরে ভালো বিক্রি হচ্ছে।’
