কোচবিহার: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোচবিহারের দুটি জনসভার দিন পরিবর্তন হল। দু’দিন আগে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, আগামী ২৬ মার্চ কোচবিহারের নাটাবাড়ি ও ৩১ মার্চ মাথাভাঙ্গার শীতলকুচি বিধানসভা এলাকায় অভিষেক জনসভা করবেন। এর মধ্যে নাটাবাড়ির জনসভাটি বিধানসভার চিলাখানার ফুটবল খেলার মাঠে ও অন্যটি শীতলকুচির পঞ্চায়েত সমিতির মাঠে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে শীতলকুচির জনসভাটি ৩১ মার্চের পরিবর্তে আগামী ১ এপ্রিল ও নাটাবাড়ির জনসভাটি ২৬ মার্চের পরিবর্তে ৭ এপ্রিল হবে। সোমবার তৃণমূলের কোচবিহারের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক অভিষেকের জনসভার এই নতুন দিন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টও করেছেন। দলীয় সূত্রে খবর, কোচবিহারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা আগামী ২৪-২৫ তারিখের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই তারিখ কয়েকদিন আগেই পরিবর্তন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিশেষ করে শাসকদলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, ‘২৬ মার্চ নাটাবাড়ির জনসভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেসময় নাটাবাড়িতে রামনবমী ও অষ্টমী স্নানের বড় মেলা চলবে। সেজন্য আমরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জনসভার দিন পরিবর্তন করতে অনুরোধ করেছি।’
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব কোচবিহারের জনসভাগুলিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে চাইছে। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা বিজেপির কয়েকজন হেভিওয়েট নেতা-নেত্রী কোচবিহারে জনসভা করবেন। তৃণমূল চাইছে, গেরুয়া শিবিরের এই হেভিওয়েট প্রচারের ঠিক পরেই মমতা বা অভিষেকের মতো দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে মাঠে নামাতে। মোদি বা বিজেপির অন্য নেতারা কোচবিহারের মাটি থেকে যে বার্তা দেবেন, তার কড়া জবাব বা ‘পালটা’ দেবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সম্ভবত সেকারণেই এই দিন পরিবর্তন।
