Congress removes many district presidents in West Bengal

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


দেশজুড়ে সংগঠন সৃজন কর্মসূচির পর বাংলায় জেলা সভাপতি নির্বাচনের পর্ব শুরু করে এআইসিসি। শনিবার তার ফলাফল সামনে আসতেই ‘কামান দাগা’ শুরু হল প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তর বিধানভবনকে নিশানা করে। ৩৩ সংগঠনের জেলা ভেঙে আরও দুটি বাড়িয়ে মোট ৩৫টি জেলায় রাজ্যের সংগঠনকে ভেঙে ফেলা হয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মুর্শিদাবাদকে ভেঙে জঙ্গিপুর আলাদা সংগঠন করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগণা সংগঠন তিনটি জেলায় ভাগ করা ছিল। সেখানে বসিরহাট জেলাকে আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সবথেকে বেশি নজর কেড়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ কলকাতা।

প্রদেশ নেতৃত্ব অবশ্য বলছে, ” এগুলি সবই প্রদীপদার রাগের বশে বলা কথা। মাথা ঠাণ্ডা হলে সব বুঝতে পারবেন। কারোও প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার হিসাবে সংগঠন সৃজন হয়নি।” 

আরও পড়ুন:

দীর্ঘ কয়েকবছরের জেলা সভাপতি প্রদীপ প্রসাদকে সরিয়ে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হল প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র মিতা চক্রবর্তীকে। এরপরই প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বকে সরাসরি তোপ দাগেন প্রদীপ। তিনি বলেন, ”সংগঠন সৃজনে সবথেকে বেশি কর্মসূচি আমার জেলার। এছাড়াও মাসব্যাপী বছরব্যাপী চলে আমার জেলায়। সদ্য বাগেশ্বর বাবা বিতর্কে আমার নামে এফআইআর হল। তারপরেই এই পুরস্কার?” প্রদীপের ঘনিষ্ঠমহলের আরও অভিযোগ, প্রদেশ কংগ্রেসে রোজকার যে কর্মসূচি, তার পিছনে মিতার বড় ভূমিকা রয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে ‘প্রাইজ-পোস্টিং’ দেওয়া হল। প্রদেশ নেতৃত্ব অবশ্য বলছে, ” এগুলি সবই প্রদীপদার রাগের বশে বলা কথা। মাথা ঠাণ্ডা হলে সব বুঝতে পারবেন। কারোও প্রতি ব্যক্তিগত আক্রোশ বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার হিসাবে সংগঠন সৃজন হয়নি। প্রদীপদার ইতিমধ্যে পাঁচ বছর জেলা সভাপতি পদে থাকা হয়ে গিয়েছে। সেই হিসাবেই তাঁর নাম নতুন তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।” একইভাবে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা শহর সংগঠনের সভাপতি ছিলেন তাপস মজুমদার। তাঁরও ৫ বছরের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হয়েছে। তবে এই কেবলমাত্র এই যুক্তিতেই প্রদীপ প্রসাদের রোষ ঠাণ্ডা হবে বলে মনে করছে না প্রদেশ কংগ্রেসের একটা অংশ। 

এছাড়া উল্লেখযোগ্যভাবে জেলা সংগঠন দ্বিখণ্ডিত হওয়ায় মুর্শিদাবাদের জেলা সভাপতি মনোজ চক্রবর্তী সরলেন। আর পুরুলিয়ার দীর্ঘ কয়েকবছরের জেলা সভাপতি নেপাল মাহাতো সরলেন তাঁর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারণে। বাঁকুড়া অভিষেক বিশ্বাস, উত্তর দিনাজপুর তুষার কান্তি গুহ, পুরুলিয়ার দায়িত্বে এলেন ফণীভূষণ কুমার, পূর্ব বর্ধমান গৌরব সমাদ্দার, জলপাইগুড়ি নারায়ণ চন্দ্র সরকার এবং হাওড়া গ্রামীণ সুব্রত বেরাকে জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বসিরহাটের দায়িত্ব পেলেন বাবু গাজি, জঙ্গিপুরের সভাপতি হলেন আলফাজ উদ্দিন বিশ্বাস, মুর্শিদাবাদের সভাপতি হচ্ছেন মহম্মদ আব্দুলাহি কাফি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবার রেজিনগর উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *