Congress | ৮৫ বছর পরে বুধবার বিহারে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক

Congress | ৮৫ বছর পরে বুধবার বিহারে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আর মাস খানেক পরে বিহারে (Bihar) বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দলের কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে বুধবার পাটনায় বসছে কংগ্রেসের (Congress) নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক।

এর আগে শেষ বার বিহারে কংগ্রেসের এমন বৈঠক হয়েছিল ১৯৪০ সালে। মহাত্মা গান্ধী, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, সুভাষচন্দ্র বসুরা ছিলেন ওই বৈঠকে। ৮৫ বছর পরে ফের পাটনায় কংগ্রেসের সদর দপ্তর সদাকাত আশ্রমে আয়োজিত হবে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক৷

কংগ্রেস সূত্রের খবর, এবারের বৈঠকে মূলত বিহার নির্বাচনে (Bihar Election) আসন বণ্টন, প্রচার কৌশল, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে আলোচনা করা হবে। বৈঠকে শতাব্দী প্রাচীন দল কী সিদ্ধান্ত নেয়, এবং কোন দিকে বিহার ভোটের রণকৌশল সাজায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

বৈঠকে যোগ দিতে এদিন সকালেই পাটনায় পৌঁছবেন সোনিয়া, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব।

এদিকে কয়েকদিন আগেই বিহার জুড়ে ভোটার অধিকার যাত্রা করেছেন তেজস্বী যাদব ও রাহুল গান্ধী। ওই যাত্রায় বিহারজুড়ে বিজেপি বিরোধী প্রচার চালানো হলেও আসনরফা নিয়ে জোটসঙ্গীদের মধ‌্যে কথা হয়নি। এবার আরজেডির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক পাটনায় করার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস।

গতবার বিহার ভোটে ব্যপক ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। তুলনায় কম আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভাল ফল করে বামেরা। কংগ্রেসের ভরাডুবির কারণেই নীতীশ কুমার ও বিজেপি জোটের কাছে পরাজিত হয় মহাগঠবন্ধন। তাই গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আসনরফা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন রাহুল গান্ধী।

এরপর শুরু হয় জল্পনা, তাহলে কি এবার গতবারের তুলনায় কম আসনে লড়বে কংগ্রেস? বাড়তি আসন দেওয়া হবে বামেদের।

কিন্তু কংগ্রেস সুত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি এবং নীতীশ কুমারের গড় বলে যে আসনগুলো পরিচিত সেগুলি গতবার কংগ্রেসকে লড়তে বলা হয়েছিল। এমন ৭০ আসনের মধ্যে ৪৬টি আসনেই গত ৩-৪ বার ধরে জয়ী হয়ে এসেছে এনডিএ। এবার ওই ধরনের আসন চায় না কংগ্রেস। এবার তারা সম্ভাবনাময় আসনগুলিতে লড়তে চায়।

অপর দিকে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তথাকথিত ভোট চুরি রুখতে এবার বুথ রক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। সুত্রের খবর, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর পরামর্শেই এমন সিদ্ধান্ত৷ একজন বুথ রক্ষকের হাতে থাকবে দশটি বুথ, যেখানে তাঁকে সহায়তা করবেন বুথ লেভেল এজেন্টরা৷

রাজস্থানের জয়পুর গ্রামীণ, আলওয়ার, মধ্যপ্রদেশের মোরানা, উত্তরপ্রদেশের বাঁশগাঁও এবং ছত্তিসগড়ের জঞ্জগীর চম্পা নামক ৫টি আসনে প্রথমে এমন প্রকল্প চালু হবে। এই পাইলট প্রকল্প সফল হলে দেশের বাকি রাজ্যেও একই নীতি নেবে বলে জানিয়েছে হাত শিবির। এই জল্পনার মধ‌্যে এদিন পাটনায় বৈঠকে বসছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *